সংবাদ শিরোনামঃ

দেশকে চরম সংঘাতের মুখে ঠেলে দেবেন না, নির্বাচন বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায় মেনে নিন ** বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস'ার বিস-ৃত নেটওয়ার্ক ** আফগান সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও শক্তিশালী নেতৃত্ব ** ভারত আ’লীগকে ‘তালাক’ দিচ্ছে ** সরকার ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অশান- করে তুলেছে ** আন-র্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ** লাগে টাকা দেবে গৌরীসেন! ** সংবাদপত্রের পাতা থেকে ** রাসূলই (সা.) আমাদের আদর্শ ** ঝালকাঠিতে ডাক্তার ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ক্লিনিক ব্যবসা ** কাব্যে অলঙ্কারের কারুকাজ ** বিদেশি ভাষা শিখতে গিয়ে মাতৃভাষার প্রতি অবহেলা দুঃখজনক ** ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য-সমিতি’র শতবর্ষ পূর্তি **

ঢাকা শুক্রবার ৫ ফাল্গুন ১৪১৮, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২

॥ জামশেদ মেহ্‌দী ॥
জেনারেল এরশাদের প্রেসিডেন্সির শেষ দিকে বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন জাসদ নেতা আ স ম আবদুর রব। শেখ হাসিনা সরকারের প্রথম মেয়াদে তিনি ছিলেন সেই সরকারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী। জাসদ বিভক্ত হয়ে গেছে। একটি অংশের নেতা হাসানুল হক ইনু। আরেকটি অংশের নেতা আ স ম আবদুর রব। এমন একটি সময় ছিল যখন জনাব রবের নেতৃত্বাধীন জাসদ ছিল আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। সেই আ স ম আবদুর রব অতীতে একাধিকবার বলেছেন যে, বাংলাদেশে ভারতের গোয়েন্দা সংস'া ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানলিসিস উইং’, অর্থাৎ ‘র’-এর বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে। তিনি কোনো রাখঢাক না করে বলেছিলেন যে, বাংলাদেশে ‘র’-এর ৬০ হাজার এজেন্ট বা গুপ্তচর রয়েছে। ‘র’ সম্পর্কে এই কথা জনাব রব একবার নয়, একাধিকবার বলেছেন। বাংলাদেশে অবস'ানরত ভারতীয় গুপ্তচরদের সংখ্যা ৬০ হাজার? নাকি তার চেয়ে বেশি? নাকি তার চেয়ে কম? সে রকম হলফ করে কোনো কথা বলা যাবে না। তবে তাদের সংখ্যা যে বিশাল সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকা উচিত নয়। তারা যে অত্যন- গুরুত্বপূর্ণ খবর রাখে এবং তাদের হট লাইন যে ঢাকা এবং দিল্লির মধ্যে সরাসরি বিস-ৃত সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। সত্য মিথ্যা আমরা জানি না, তবে লন্ডনের নামজাদা ‘দি ইকোনোমিস্ট’ জনৈক ইশরাকের একটি ইন্টারভিউ ছেপেছে। এই ইশরাকের পৈতৃক নিবাস উত্তরবঙ্গের নওগাঁ জেলায়। এই লোকটি  অধিকাংশ সময় বিদেশে থাকে। একাধিক মহল থেকে বলা হয়েছে যে, ব্যর্থ অভ্যুত্থান যদি সফল হতো তাহলে ইশরাককে নাকি রাষ্ট্রপ্রধান বানানো হতো। এসব খবর আমাদের নয়। এসব খবর অন্যদের। ইকোনোমিস্টকে দেয়া স্বাক্ষাৎকারে জনাব ইশরাক বলেছেন যে, বাংলাদেশ সেনা ছাউনির মধ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস'া ‘র’-এর অফিস রয়েছে। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন যে, সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গোয়েন্দা সংস'া ভারতের সংবাদ আদান প্রদান করে। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা বলে প্রচারিত মেজর জিয়াউল হকও ইন্টারনেটে আপলোড করা সংবাদে অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। তবে যেহেতু তিনি ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সাথে জড়িত তাই ইন্টারনেটে প্রদত্ত তার এসব তথ্য আমরা আমলে নিলাম না।

কয়েকদিন আগে প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভায় বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন যে, বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস'ার অফিস আছে বলে শুনেছি। তারা নাকি উন্নততর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করে।

কিন' গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের বহুল প্রচারিত পত্রিকা ‘ইন্ডিয়া টুডে’তে ব্যর্থ অভ্যুত্থান সম্পর্কে যে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তারপর বাংলাদেশে ‘র’-এর কর্মতৎপরতা সম্পর্কে আর কারো সন্দেহ থাকে না। চার পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত ‘ইন্ডিয়া টুডে’র এই এক্সক্লুসিভ সংবাদটির শিরোনাম উঐঅকঅ ঈঙঘঝচওজঅঈণ, অর্থাৎ ঢাকা ষড়যন্ত্র।

ঐ রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ওহ ষধঃব উবপবসনবৎ ষধংঃ ুবধৎ, ধ ংবপৎবঃ ষবঃঃবৎ বিহঃ ভৎড়স ঘব িউবষযর ঃড় উযধশধ. ওঃ ধিং ফবষরাবৎবফ ফরৎবপঃষু ঃড় ঝযবরশয ঐধংরহধ, ৬৫, ঃযব চৎরসব গরহরংঃবৎ ড়ভ ইধহমষধফবংয. ওঃ ধিৎহবফ যবৎ ঃযধঃ ওংষধসরংঃ ৎধফরপধষং বসনবফফবফ রিঃযরহ ঃযব ইধহমষধফবংয অৎসু বিৎব ঢ়ষধহহরহম ধ পড়ঁঢ়ৃৃ..অষড়হম রিঃয ঃযব ষবঃঃবৎ, ওহফরধ যধফ ড়িৎশবফ ড়ঁঃ ধ পড়হঃরহমবহপু ঢ়ষধহ ঃড় বাধপঁধঃব ঃযব চৎরসব গরহরংঃবৎ, যবৎ পধনরহবঃ ধহফ শবু ভরমঁৎবং ড়ভ যবৎ অধিসর খবধমঁব ঢ়ধৎঃু রহ ঃযব বাবহঃ ড়ভ ধ পড়ঁঢ়. ঞযবৎব ধিং ধ সরষরঃধৎু ঢ়ষধহ ধং বিষষ. ওহফরধহ যবষরপড়ঢ়ঃবৎ মঁহংযরঢ়ং ড়িঁষফ নব ষধঁহপযবফ ভৎড়স ঃড়ি ধরৎনধংবং রহ ডবংঃ ইবহমধষ ধহফ ঞৎরঢ়ঁৎধ ঃড় উযধশধ ঃড় ঢ়ৎড়ারফব ধরৎ পড়াবৎ ভড়ৎ ঃযব ড়ঢ়বৎধঃরড়হ. খধহফরহম ুড়হবং ধহফ বাধপঁধঃরড়হ ংরঃবং বিৎব রফবহঃরভরবফ রহ  ধহফ  ধৎড়ঁহফ ঃযব পধঢ়রঃধষ ভড়ৎ ঃযব ধরৎ পড়ৎৎরফড়ৎ.

ঐধংরহধ যধং নববহ ঁহফবৎ ঃযৎবধঃ ংরহপব ংযব ংবিঢ়ঃ ঃড় ঢ়ড়বিৎ রহ বধৎষু ২০০৯. গড়ৎব ঃযধহ ১,০০০ ঢ়ধৎধসরষরঃধৎু নড়ৎফবৎ মঁধৎফং ড়ভ ইধহমষধফবংয জরভষবং, হড় িৎবহধসবফ ইড়ৎফবৎ এঁধৎফং ইধহমষধফবংয, ৎবাড়ষঃবফ ধমধরহংঃ ঃযব সরষরঃধৎু'ং যবমবসড়হু ড়াবৎ ঃযবরৎ রহংঃরঃঁঃরড়হ. ওঃ ধিং ংুসঢ়ঃড়সধঃরপ ড়ভ ঃযব ঁহৎবংঃ রহ ঃযব ধৎসবফ ভড়ৎপবং. ওহফরধ যবষঢ়বফ বাবহ ঃযবহ. ঝড়ঁৎপবং রহ ঃযব চৎরসব গরহরংঃবৎ'ং ড়ভভরপব ংধরফ ঃযধঃ ধং ংড়ড়হ ধং ঃযব সঁঃরহু নৎড়শব ড়ঁঃ, ওহফরধ শবঢ়ঃ রঃং ংঢ়বপরধষ ভড়ৎপবং ৫০ চধৎধপযঁঃব ওহফবঢ়বহফবহঃ ইৎরমধফব ড়হ ংঃধহফনু ঃড় ভষু রহঃড় উযধশধ রহ পধংব ড়ভ ধহ বসবৎমবহপু.  ঘব িউবষযর'ং ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ভড়ৎ ঐধংরহধ রং পষবধৎ. ওহ যবৎ ঃযরৎফ ংঃরহঃ ধং চৎরসব সগরহরংঃবৎ, ইধহমষধফবংয যধং পবধংবফ ঃড় নবপড়সব ধ ংধভব যধাবহ ভড়ৎ সরষরঃধহঃ মৎড়ঁঢ়ং ড়ঢ়বৎধঃরহম রহ ওহফরধ.

বাংলা অনুবাদ,“গত বছরের ডিসেম্বরের শেষদিকে নয়াদিল্লি থেকে ঢাকায় একটি গোপন চিঠি যায়। এটি বাংলাদেশের ৬৫ বছর বয়স্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সরাসরি হস-ান-র করা হয়। চিঠিতে তাকে সতর্ক করে দেয়া হয় যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অবস'ানরত ইসলামী মৌলবাদীরা একটি অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করছে। এই চিঠির সাথে ভারত প্রধানমন্ত্রী, তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য এবং আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দকে উদ্ধারের একটি পরিকল্পনা পেশ করে। তার সাথে একটি সামরিক পরিকল্পনাও ছিল। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরার ভারতীয় বিমান ঘাটি থেকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর জঙ্গি হেলিকপ্টার ঢাকায় উড়ে যাবে এবং এই সামরিক অভিযানকে এয়ার সাপোর্ট দেবে। এই বিমান করিডোরের জন্য রাজধানীর আশপাশে অবতরণ স'ান এবং উদ্ধার স'ানও নির্ধারণ করা হয়।

২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই শেখ হাসিনা হুমকির মুখে আছেন। বাংলাদেশ রাইফেলসের ১ হাজারেরও বেশি সদস্য তাদের প্রতিষ্ঠানের ওপর সামরিক বাহিনীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। এই বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে এখন রাখা হয়েছে ‘বর্ডার গার্ড’। এটা আসলে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অসনে-াষের একটি প্রতিফল ছিল। তখনও ভারত বাংলাদেশকে সাহায্য করে। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে প্রকাশ, বিদ্রোহ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই যে কোনো রকম জরুরি পরিসি'তি মোকাবেলার উদ্দেশ্যে ঢাকা উড়ে যাওয়ার জন্য ভারত তার ৫০ প্যারাস্যুট বিশেষ ব্রিগেডকে প্রস'ত রাখে। হাসিনার প্রতি ভারতের সমর্থন পরিষ্কার। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর তৃতীয় মেয়াদে  (আসলে এটি হবে দ্বিতীয় মেয়াদ)  ভারতের ঐসব জঙ্গিদের দিন শেষ হয়ে গেছে যারা বাংলাদেশে অবস'ান করে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী তৎপরতা চালাবে।”

এই সংবাদের উৎস

সংবাদটি অত্যন- চাঞ্চল্যকর, তাতে সন্দেহ নেই। যেহেতু এত গুরুত্বপূর্ণ এবং গম্ভীর খবর, তাই প্রথমে মনে করা হয়েছিল যে দিল্লি থেকে হয়ত রিপোর্টটি পাঠানো হয়েছে। হয়ত দিল্লিতে ভারতের সেনা গোয়েন্দা সংস'া এম আই থেকে খবরটি লিক করা হয়েছে। (এম আই সম্পর্কে কিছুক্ষণ পর আলাচনা করব)। কিন' খবরটি আবার শুরু থেকে পড়তে গিয়ে একটি বিরাট হোঁচট  খেলাম। দেখি, ঢাকা থেকে খবরটি পাঠিয়েছেন জনৈক সেলিম সামাদ। এতবড় একটি খবরের উৎপত্তি ঢাকা থেকে হয় কিভাবে? একটু গভীরভাবে ভাবার পরেই ব্যাপারটি পরিষ্কার হয়ে গেল। দুটি উপায়ে ঢাকায় বসে এই খবরটি পাওয়া যেতে পারে। একটি হলো, পত্রিকাটির ঢাকা অফিসকে দিল্লির প্রধানমন্ত্রী অফিস বা গোয়েন্দা সংস'ার অফিস থেকে ইন্টারনেটে বা টেলিফোনে খবরটি জানানো হয়েছিল। আরেকটি হতে পারে, ঢাকায় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস'ার শক্তিশালী অফিস রয়েছে, সেটা যে নামেই হোক বা যেরূপেই হোক না কেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস'ার হেড অফিস থেকে তাদের ঢাকা অফিসকে খবরটি দেয়া হয়েছে। এই পথে এবং প্রক্রিয়াতে খবরটি ঢাকায় এসেছে। ঢাকার নেটওয়ার্ক কতখানি শক্তিশালী হলে এমন স্পর্শকাতর ও মারাত্মক খবর পাঠানো হয় সেটা সম্মানিত পাঠকবৃন্দ নিজ বুদ্ধি বিবেচনায় এখন বুঝে নিন।

ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা

সার্ভিস এম আই

‘ইন্ডিয়া টুডে’র এই রিপোর্ট থেকে জানা গেল যে, ভারতে বর্তমানে গোয়েন্দা সংস'া রয়েছে ২১টি। এদের অন্যতম হলো সেনা গোয়েন্দা সংস'া। নাম এম আই। দিল্লির সেনা ভবনের সবচেয়ে উঁচু তলায় এর অফিসটি অবসি'ত। এর অবস'ান সাউথ ব্লকের পেছনে। কামরাগুলো ছোট ছোট এবং করিডোরগুলো সংকীর্ণ। এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের খবরটি যে সংস'া জানিয়েছিল সেটি কিন' ‘র’ নয়, সেটি হলো ‘এম আই’ বা মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স। শেখ হাসিনাকে অভ্যুত্থানের যে খবরটি তারা দিয়েছে সেই খবর প্রদানের মাধ্যমে তারা ফোকাসে চলে এসেছে বলে ‘ইন্ডিয়া টুডে’ মনে করে। এই এম আই-এর  আজ রয়েছে ৭ শত-এর বেশি অফিসার। এরমধ্যে মহিলা অফিসারও রয়েছে। আরো রয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি কর্মচারী। এম আই-এর প্রধান হলেন লে. জেনারেল র‌্যাঙ্কের একজন মিলিটারি অফিসার। এম আই এখন মিয়ানমার, ইসরাইল, আফগানিস-ান এবং ভিয়েতনামের সাথে তথ্য বিনিময় করে। ভারতের সীমান- থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ৫০ কিলোমিটার অভ্যন-র পর্যন- এম আই-এর কর্ম তৎপরতা সীমাবদ্ধ ছিল। আফগানিস-ানে তালেবান শাসনের উৎখাত এবং নর্দার্ন এলায়েন্সকে ক্ষমতায় বসাতে এম আই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ’৯০ সালের পর থেকে এম আই মিয়ানমারে প্রবেশ করেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতে চীনের পদচিহ্ন অনুসরণ করার জন্য এম আইকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এম আই-এর স্ক্যানারে বাংলাদেশ

কিছু দিন হলো এম আই-এর স্ক্যানারে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ স'ান দখল করেছে বলে ‘ইন্ডিয়া টুডে’র ঐ খবরে বলা হয়েছে। এর কারণ হলো এই যে- আসামের উলফা, মনিপুরের ইউ এন এল এফ এবং আসামের কামতাপুর মুক্তিফ্রন্ট বাংলাদেশে বসে তাদের তৎপরতা চালাচ্ছিল। হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার কিছু দিনের মধ্যেই উলফা এবং ইউ এন এফের পুরা নেতৃত্বকে ভারতের কাছে হস-ান-র করা হয়েছে।

‘র’-এর সাফল্য

ভারতীয় নাগরিক জয়শ্রী বাজোরিয়া ইন্টারনেটে লিখিত নিবন্ধে ‘র’-এর সাফল্য সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে (১) বাংলাদেশ সৃষ্টিতে তাদের ভূমিকা (২) আফগানিস-ানে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বিস-ার (৩) ১৯৭৫ সালে সিকিমের ভারতভুক্তি এবং (৪) ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির নিরাপত্তা বিধান। এই নিবন্ধটি ইংরেজি সাপ্তাহিক ‘হলিডের’ চলতি মাসের ২ তারিখে ছাপা হয়েছে। নিবন্ধটি দেয়া হয়েছে একটি বড় ইনসেট। সেই ইনসেটে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী, সিকিমের ভারতভুক্তি এবং মিয়ানমারে চীনবিরোধী শক্তিকে কিভাবে ‘র’ আর্থিক ও সামরিক সাহায্য করছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিককালে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকায় ‘র’-এর তৎপরতা সম্পর্কে যেসব তথ্য দেয়া হচ্ছে সেসব তথ্য জাসদ নেতা আ স ম আবদুর রবের তথ্যকে জোরালো সমর্থন দেয়। এসব তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে যে বাংলাদেশে ‘র’ এর নেটওয়ার্ক বিশাল, বিস-ৃত ও ব্যাপক।

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com