সংবাদ শিরোনামঃ

বিভাজন নয় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করুন ** ভিা চাই না কুত্তা সামলাও ** দেশ বড় ধরনের খাদ্য ঘাটতির সম্মুখীন হবে ** রিপোর্টের সাথে বক্তব্যের কোনো মিল নেই ** খোল নলচে না পাল্টালে রাজনৈতিক বিতর্ক বাড়বে ** অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি রাষ্ট্রপ ** সরকারের প্রতি জনআস্থা কমছে ** সংঘাতের পথে পা বাড়িয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়েছে সরকার ** সংবাদপত্রের পাতা থেকে ** বিশ্বের দেশে দেশে ভাষা : বাংলা ভাষার তাত্ত্বিক দর্শন এবং ভাষা চর্চা ** সাংবাদিকরা হত্যার টার্গেট কেন? ** দেশটা ক্রমশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে ** ভাষা আন্দোলনের শহীদদের চিরদিন এ জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে ** মিয়ানমার-বাংলাদেশ সরাসরি চালু হতে যাচ্ছে নৌ ও বিমান যোগাযোগ সেতুবন্ধনে নয়া সম্ভাবনার দ্বার **

ঢাকা শুক্রবার ১২ ফাল্গুন ১৪১৮, ১ রবিউস সানি ১৪৩৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২

কুষ্টিয়ায় অবৈধ যানের  শতাধিক কারখানা

কুষ্টিয়া থেকে সংবাদদাতা
কুষ্টিয়ায় মহাসড়ক ঘেঁষেই তৈরি হচ্ছে অবৈধ পরিবহন। নছিমন, করিমন, আলমসাধু, ভটভটিসহ বিভিন্ন নামের এসব যান তৈরির কারখানা গড়ে উঠছে একের পর এক। এসব কারখানা ও মহাসড়কে অবৈধ যানবাহনের চলাচল বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। এসব যানবাহনের কারণে গত দুই বছরে জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০ জন মানুষ মারা গেছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক।

সরেজমিন দেখা গেছে, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক ঘেঁষে ভাদালিয়া ও বটতৈল বাজারে নছিমন-করিমনের প্রায় ৬০টি কারখানা গড়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে জেলায় রয়েছে শতাধিক কারখানা। এসব কারখানায় ১২-১৩ বছরের শিশুরাও ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে। প্রতিদিন ১০০টির বেশি যানবাহন বিক্রি হয়ে দেশের ৬৪টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এসব কারখানা থেকে। মহাসড়কসহ ছয়টি উপজেলার আঞ্চলিক ও জেলা সড়কে পাঁচ হাজারের বেশি এ ধরনের অবৈধ যান চলাচল করে।

কুষ্টিয়া জেলায় প্রথম ও সবচেয়ে বড় কারখানার মালিক আবদুর রশিদ। তার বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া বাজারে। আবদুর রশিদ জানান, তিনিই প্রথম ১৯৯৬ সালে নছিমন তৈরি করেন। এর জন্য একবার পুলিশ তাকে থানায় নিয়েছিল। তিনি এখন প্রতিদিন ১০-১২টি যান তৈরি করে সরবরাহ করেন।

 অভিযোগ পাওয়া গেছে, এসব যান তৈরির কারখানা বন্ধ ও মহাসড়কে নছিমন-করিমন চলাচল বন্ধ না হওয়ার পেছনে প্রশাসন, হাইওয়ে ও পুলিশ বিভাগের হাত রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার এক মালিক বলেন, কারখানার মালিক ও চালকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে টাকা আদায় করা হয়। এ টাকার ভাগ সবাই পায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রামবাংলা টেম্পো পরিবহন কর্মজীবী সোসাইটি নামে মালিক ও নছিমন-করিমনের চালকের কাছ থেকে প্রতি মাসে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করা হয়। গ্রাম থেকে শহর এলাকায় যেসব নছিমন-করিমন আসে, সেগুলোতে বিশেষ এক ধরনের চিহ্ন দেয়া ‘টোকেন’ ব্যবহার করা হয়। নছিমনের চালক মোজাম বলেন, টোকেন কাছে থাকলে রাস্তায় কোনো ঝামেলায় পড়তে হয় না।

এ ব্যাপারে আবদুর রশিদ বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় থেকে টাকা উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেছে। তবে জেলার প্রতিটি পুলিশ ক্যাম্পে রাতে টহলের জন্য একটি করে নছিমন দিতে হয়। এ জন্য পুলিশ কোনো টাকা দেয় না, এমনকি গাড়ির তেল খরচটাও দেয় না। সেটা অবশ্য জনগণের সেবার জন্যও কাজ করে।’ বন্ধের ব্যাপারে তিনি বলেন, ইচ্ছা করলেই নছিমন-করিমন বন্ধ করা যায় না। হাজার হাজার নছিমন-করিমন চলাচল বন্ধ করে দিলে এসব পরিবারের লোকজন খাবে কী। সরকার থেকে বৈধতা দিলে সবার জন্য ভালো হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com