ঢাকা শুক্রবার ১৯ ফাল্গুন ১৪১৮, ৮ রবিউস সানি ১৪৩৩, ২ মার্চ ২০১২

তাল-গোল পাকানোর পথে সাগর-রুনি হত্যারহস্য

সাজ-গোছ ও মহড়া চলছে, শিগগিরই আসছে আরেক জজ মিয়া

তাল-গোল পাকানোর পথে সাগর-রুনি হত্যারহস্য

॥ জামশেদ মেহ্দী ॥
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড যখন অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তির গোলক ধাঁধায় ঘুরপাক খাচ্ছে তখন এ ব্যাপারে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর এবং মারাত্মক মন্তব্য করেছেন তিন মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমানে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া। গত সোমবার ২৭ ফেব্র“য়ারি সীমান্ত শহর লালমনিরহাটের এক বিশাল জনসমুদ্রে বক্তৃতা প্রসঙ্গে বেগম জিয়া কোনোরূপ রাখ ঢাক না করে বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকার রহস্যের সৃষ্টি করেছে। তিনি দাবি করেন, খুনি ঠিকই ধরা পড়েছে। কিন্তু সে সরকারের লোক হওয়ায় তাকে দেশের বাইরে পার করে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে সরকার জড়িত। সাগর-রুনি দম্পতির কাছে সরকারের অনেক দুর্নীতির তথ্য ছিল। হত্যার পর ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন চুরি করা হয়েছে। নিশ্চয়ই ঐগুলোর মধ্যে অনেক তথ্য ছিল। দেশে-বিদেশে এসব তথ্য যাতে ফাঁস না হয় সেজন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

বলাবাহুল্য, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ক্ষমতা ও মর্যাদার দিক দিয়ে যে দুই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠতম তারা হলেন- খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা। তাই বেগম জিয়ার মতো একজন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিকট থেকে এমন মারাত্মক অভিযোগ উত্থাপিত হলে সেটিকে আর হালকাভাবে নেয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। দেশের সচেতন মানুষের তাই প্রত্যাশা যে, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ খালেদা জিয়ার এই অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন এবং তদন্ত টিমসমূহ এই বিষয়টিও আমলে নেবেন।

কোনটি সত্য আর কোনটি মিথ্যা সেটি আমরা জানি না। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা ধরনের কথা দেশে এবং বিদেশে ইথার তরঙ্গে ভেসে বেড়াচ্ছে। গত রোববার সাংবাদিকরা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলামকে একটি মারাত্মক প্রশ্ন করেছিলেন। তারা জানতে চেয়েছিলেন যে, একটি প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেলের কর্ণধারের ছোটভাই নাকি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আছেন। তিনি নাকি ইতোমধ্যেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। সাংবাদিকরা জানতে চান যে, খবরটি সত্য কি-না। পুলিশের ঐ সিনিয়র অফিসার প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তাদের কাছে বিভিন্ন মহল থেকে অন্তত ২০ ধরনের ভাষ্য এসেছে। এছাড়া অসংখ্য এসএমএস তারা পাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, যখন একটি বড় ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে তখন এই ধরনের নানা কাহিনী ছড়িয়ে যায়।

এই খবরটি ছাপা হয়েছে গত সোমবার ২৭ ফেব্র“য়ারি দৈনিক ‘ইনকিলাবে’। ইতোমধ্যেই ফেসবুকে এবং ব্লগে এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব তথ্যে সমাজের ওপর তলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামধামও এসে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির এই বিস্ময়কর যুগে ২-১টি ক্লিক করার মাধ্যমেই সেটি মুহূর্তেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই দেখা যায় যে, গত সোমবার প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের কর্ম বিরতির সময় অসংখ্য সাংবাদিককে ফেসবুকে আপলোড করা এসব তথ্য নিয়ে কৌতূহলী আলোচনা করতে দেখা যায়।

পাঁচটি টিম বনাম

একটি টিম

গত ১১ ফেব্র“য়ারি সাগর-রুনি খুন হন। আজ ১ মার্চ। হত্যাকাণ্ডের পর ২০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। সকলের স্মরণ আছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং খুনিদের পাকড়াও করার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছিলেন। সে ওয়াদা যে রক্ষিত হয়নি সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। খুনিদের পকাড়াও করার জন্য একযোগে ৫টি তদন্ত টিম কাজ করছিল। এগুলো হলো (১) পুলিশ (২) ডিআইবি (৩) সিআইডি (৪) স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং (৫) র‌্যাব। বেশকিছু দিন যাওয়ার পর তদন্তে— যখন কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হচ্ছিল না তখন সমগ্র তদন্ত এককভাবে ডিবি বা ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের হাতে ন্যস্ত করা হয়। ডিবির হাতে যাওয়ার পর থেকেই এতদিন পর্যন্ত যা ঘটেছে তার অসঙ্গতিগুলো ধরা পড়তে থাকে।

বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক উভয় মিডিয়াই এখন ভায়াব্র্যান্ড। প্রতিদিনই কেউ না কেউ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলছেন। কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের বেডরুম কি সরকার পাহারা দিতে পারে? উত্তর দিয়েছেন রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেছেন যে, বেডরুম পাহারা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের থাক আর নাই থাক প্রতিটি নাগরিকের জানমালের হেফাজতের দায়িত্ব সরকারের। তাঁর মতে বাংলাদেশের যদি কোনো নাগরিক বিদেশে থাকেন তাহলে তারও জানমালের নিরাপত্তা বিধান সরকারের দায়িত্ব। এই কথাটি বলেছেন, মহাজোট সরকারের অন্যতম অংশীদার রাশেদ খান মেনন, এমপি।

খুনের আলামত নষ্ট

হওয়া প্রসঙ্গে

একই দিন প্রধানমন্ত্রী এ কথাও বলেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের দিন অনেক লোক সাগরের বাসায় যায়। তাদের পদভারে খুনের আলামত নষ্ট হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে বসুন্ধরা গ্র“পের অন্যতম বাংলা দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিনের’ ২৮ ফেব্র“য়ারি সংখ্যায় বলা হয়, অপরাধস্থল সংরক্ষণ এবং সেখান থেকে আলামত সংগ্রহের দায়িত্ব পুলিশের। পুলিশ সাত সকালেই অকুস্থলে পৌঁছে। যদি প্রধানমন্ত্রীর কথা সত্যি হয়ে থাকে তাহলে পুলিশ লাশের ভিসেরা রিপোর্ট সংগ্রহের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কেন? পুলিশের তো প্রথম কাজই হলো আলামত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। কেন সেটি করা হয়নি? এই পত্রিকাটি আরো প্রশ্ন করেছে, একদিকে পুলিশ বলছে যে, হত্যার মোটিভ তারা উদ্ঘাটন করেছেন আবার অন্যদিকে বলছেন যে, কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা না হলে হত্যার মোটিভ উদ্ঘাটিত হয় কি করে? স্বীকারোক্তিই বা আসে কি করে? পত্রিকাটির মতে যখন লাশ উদ্ধার করা হয় তখন শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছিল, সাগরের ল্যাপটপ খোয়া যায়নি। কিন্তু এখন পুলিশ বলছে ল্যাপটপ খোয়া গেছে।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত ১৫ ফেব্র“য়ারি দৈনিক ‘আমার দেশে’ ল্যাপটপ চুরি যাওয়া সম্পর্কে একটি চাঞ্চল্যকার খবর বের হয়। ঐ খবরে বলা হয় যে, রুনি এবং সাগরের বাসা থেকে খুনিরা সোনার অলঙ্কার, বিদেশি মুদ্রা, টাকা-পয়সা কিছুই নেয়নি। কিন্তু খোয়া গেছে একটি ল্যাপটপ, আই প্যাড ও মোবাইল ফোন। তাদের শয়ন কক্ষের জিনিস পত্র ছিল এলোমেলো। স্টিল আলমারি এবং ওয়াড্রব ছিল খোলা। বোঝা গেলো, ঘাতকরা এগুলো তন্ন তন্ন করে খুঁজেছে। কিছুই নেয়নি। কিন্তু নিয়েছে ল্যাপটপ, আইপ্যাড ও মোবাইল। ‘আমার দেশের’ ঐ রিপোর্ট মোতাবেক হত্যা রহস্যের কেন্দ্রে রয়েছে ঐ ল্যাপটপ। ঐ ল্যাপটপে এমন কিছু গোপন তথ্য ছিল যেটি তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

স্বীকারোক্তি আদায়ে

বেধড়ক প্রহার

গত ২৮ ফেব্র“য়ারি মঙ্গলবার দৈনিক ‘যায়যায়দিন’ এ সম্পর্কে একটি চাঞ্চল্যকার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়, গত দুই সপ্তাহে ঢাকা এবং আশপাশের এলাকা থেকে ছিঁচকে চোর, ছিনতাইকারী ও উঠতি সন্ত্রাসীসহ নিম্ন পেশার অন্তত ৯ ব্যক্তিকে ডিবি কার্যালয়ে এনে নির্দয়ভাবে পেটানো হয়। এদের মধ্যে নূরুল, হালিম, আল আমীন মুরাদ নির্যাতন সইতে না পেরে সাগর-রুনির বাসায় চুরি করার কথা স্বীকার এবং এ সম্পর্কে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতেও রাজি হয়। কিন্তু যখন তারা জানতে পারে যে চুরির কথা স্বীকার করলে খুনের দায়ভারও তাদের ওপর এসে পড়বে তখন তারা চুরির স্বীকারোক্তি দিতেও অস্বীকার করে। পরিচয় গোপন করার শর্তে মুরাদের এক আত্মীয় আলোচ্য দৈনিকটিকে বলেছে যে, ডিবি পুলিশের মারের চোটে মুরাদের নাক মুখ দিয়ে গল গল করে রক্ত বেরিয়ে আসে এবং তার পরনের কাপড় চোপড় ভিজে যায়। এর পরেও সে খুনের স্বীকারোক্তি না দেয়ায় পুনরায় তাকে পেটানো হয়। গত সোমবার দুপুর ২টার দিকে আলোচ্য পত্রিকার রিপোর্টার গোয়েন্দা অফিসে গিয়ে দেখেন যে, রক্তাক্ত অবস্থায় তিন যুবককে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। ঐ পত্রিকার রিপোর্ট মতে এই হত্যাকাণ্ডে খুনি ডাকাতের গল্প সাজিয়ে মামলার তদন্তে ইতি টানার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ছিঁচকে দুই চোরকে বলির পাঁঠা বানিয়ে গল্পের প্লট সাজানো হচ্ছে।

অথঃ কাটা গ্রিল

সমাচার

যেদিন সাগর-রুনি নিহত হন সেই দিন পেছনের জানালার একটি গ্রিল কাটা দেখা যায়। ফলে ধারণা করা হয় যে, খুনিরা হয়ত জানালার ঐ কাটা গ্রিলের ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। তখন পুলিশ বলেছিল, ফাঁকটি এত ছোট যে, সেদিক দিয়ে কোনো মানুষ ঢুকতে পারবে না। কিন্তু এখন আবার তারাই বলছে যে, ঐ ফাঁকা অংশ দিয়ে ৬-৭ বছরের একটি রুগ্ন শিশুকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। সে ঘরে ঢুকে দরজা খুলে দেয়। তখন বাইরে অপেক্ষমাণ ৪ ব্যক্তি ঘরে ঢোকে এবং চুরি করার উদ্যোগ নেয়। এই পর্যায়ে সাগর এবং রুনি ঘুম থেকে জেগে উঠে তাদের বাধা দেয়। ধ্বস্তা-ধ্বস্তির একপর্যায়ে তারা সাগর-রুনিকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এ ব্যাপারে গত ২৮ ফেব্র“য়ারি ‘দৈনিক যুগান্তরে’ একটি প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নে বলা হয় যে, ঘটনার পর গোয়েন্দারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সাগর-রুনির ফ্ল্যাটে ও তার আশপাশে কাটিয়েছেন। তখন তারা বাড়ির পেছনের অংশ ঘুরে দেখলেন না কেন ? ঘটনার ৫ দিন পরে কেন এই প্রশ্ন তাদের মাথায় এলো?

হত্যকাণ্ডের কারণ

২টি, ৩টি না ৬টি ?

এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত যখন শুরু হয় তখন পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্ভবত ৩টি। এরপর গোয়েন্দারা বলেন যে, ৬টি সম্ভাব্য কারণ মাথায় রেখে তারা তদন্ত চালাচ্ছেন। গত সপ্তাহে বলা হয় যে, তারা ৩টি সম্ভাব্য কারণ ধরে এগোচ্ছেন। সবশেষে বলা হয় যে, ২টি কারণ ধরে তারা এগোচ্ছেন। একটি ব্যক্তিগত, আরেকটি পেশাগত। আর সবশেষ বলা হয় যে, ব্যক্তিগত কারণ ধরে তারা এগুচ্ছেন। এতবার করে হত্যার কারণ ওঠানামা করা কি পুলিশের অযোগ্যতা? নাকি ইচ্ছাকৃত?

মঞ্চে প্রবেশের অপেক্ষায়

আরেক জজ মিয়া

উপরের বিশ্লেষণে যেসব অসঙ্গতি এবং বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে সেগুলো দেখে অভিজ্ঞমহল আশঙ্কা করছেন যে, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে আরেকজন জজ মিয়া মঞ্চে প্রবেশের জন্য সাজ ঘরে রয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জজ মিয়া নামে এক যুবকের স্বীকারোক্তি আদায় করে তদন্ত সংস্থা সিআইডি। পরবর্তীতে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করে বের করেন যে, জজ মিয়া কাহিনীটি ছিল সাজানো। সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘসূত্রতা, অসঙ্গতি এবং বিভ্রান্তি দৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, জজ মিয়ার মতোই সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডে একটি চরিত্র আমদানির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এবারের জজ মিয়া নাটকটি যেন নিখুঁত হয় সে জন্য নাকি বারবার মহড়া দেয়া হচ্ছে। 

jamshedmehdi15@gmail.com

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com