সংবাদ শিরোনামঃ

সমুদ্রে এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ ** পরবর্তীতে বলবৎ আইন দিয়ে পূর্বে সংঘটিত অপরাধের বিচার করা যায় না ** সরকার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে ** উপদেষ্টারা সরকার ও দলসহ দেশকে ডুবাতে বসলেও হাসিনার বোধোদয় হচ্ছে না ** বাংলাদেশের ১৭শ’ একর জমি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা ** ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ ** ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে...’ ** মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা চলছে লুটপাট ** সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ড করতে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে উপকূলীয় গাছ সাবাড় করার অভিযোগ ** সরকার বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী মতবাদ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে ** চবি সভাপতিসহ ৮ নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে দেশব্যাপী শিবিরের বিক্ষোভ ** দেশ সন্ত্রাস রাজনীতি ** ভারতে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংশিবির **

ঢাকা শুক্রবার ৯ চৈত্র ১৪১৮, ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৩, ২৩ মার্চ ২০১২

সীতাকুণ্ড : উত্তর ছলিমপুরে সাগর উপকূলে ঝাউগাছ কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা

নজরুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ছলিমপুর সমুদ্র উপকূলে শিপব্রেকিং ইয়ার্ড তৈরি করতে সহস্রাধিক গাছ কেটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।  নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের দাবি ঝাউ গাছে মড়ক দেখা দেয়াতে স্থানীয় লোকেরা তা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বন বিভাগের করার কিছুই নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ সরাসরি গাছ কাটলে প্রশাসন বাধা দেবে তাই নির্দিষ্ট এলাকার ঝাউ গাছগুলোতে বিষা কেমিক্যাল ব্যবহার করে মেরে ফেলে শিপব্রেকিং ইয়ার্ড করার ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে। মরাগাছ কাটতে গিয়ে জীবিত গাছও অবাধে কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বন বিভাগ স্থানীয় তিনজনকে আসামি করে মামলা করলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে করেনি।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার উত্তর ছলিমপুর সমুদ্র উপকূলে মাত্র ছয় দিনের মধ্যে প্রায় ৫ শতাধিক ঝাঁউগাছ মারা যায়। এ সুযোগে স্থানীয় কিছু লোক মরা গাছের পাশাপাশি নির্বিচারে ভালো গাছগুলোও রাতের আঁধারে কেটে সাবাড় করে ফেলছে। এ পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক গাছ কেটে ম্যানগ্রোভ বনটি উজাড় করে ফেলেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, চট্টগ্রাম ডিপুটি ফরেস্ট অফিসার (ডিএফও) ড. সুনীল কুণ্ড। এ সময় কাট্টলী বন বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা বজলুল করিম জানান, গত ছয় দিন আগেও এ গাছগুলো জীবিত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে গাছগুলো এভাবে মরে যাওয়া রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তার ধারণা প্রাকৃতিক কোনো কারণে গাছে মড়ক ধরলে সব গাছে তা ছড়িয়ে পড়তো এবং সময় নিয়ে মরতো। কিন্তু পার্শ্ববর্তী গাছগুলো অক্ষত থাকায় পরিকল্পিতভাবে এই গাছগুলো কেমিক্যাল ব্যবহার করে মেরে ফেলা হচ্ছে বলে তার ধারণা। তিনি আরো বলেন, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ের ও জলোচ্ছ্বাসের পর চট্টগ্রাম বন বিভাগ সীতাকুণ্ডের সাগর উপকূলে সবুজ বনায়ন শুরু করে। ওই সময়ে বন বিভাগের উদ্যোগে লাগানো ঝাউ গাছগুলোর কারণে পরে বিভিন্ন সময়ে উপকূলবাসী দুর্যোগ ও জলোচ্ছ্বাসে হাত থেকে রক্ষা পায়। বর্তমানে যে গাছগুলো আছে তা রক্ষা না করলে সাগরের জলোচ্ছ্বাসের সময় পানি লোকালয়ে এসে ব্যাপক জানমালের ক্ষতি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।

স্থানীয় অন্য এক বাসিন্দা ফয়সাল জানান, এ অঞ্চলে এক সময় অনেক বড় বসবুজ বনায়ন ছিল। কিন্তু এক শ্রেণীর লোক শিপব্রেকিং তৈরি করতে রাতারাতি ধ্বংস করে ফেলেছে এ সবুজ অরণ্য। সর্বশেষ এখানে  প্রায় দুই হাজার গাছ ছিল। আর এ গাছগুলোই শিপব্রেকিং ইয়ার্ড তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই ফরেস্টার নাছির ও আমিন দুর্বৃত্তদের সাথে আঁতাত করে পরিকল্পিত ভাবে কিছু গাছ মেরে তার সাথে ভালো গাছগুলো কেটে নিচ্ছে। স্থানীয় এলাকাবাসীরা জনিয়েছেন, তারা ফরেস্টারকে বিষয়টি জানালেও কোন পদক্ষেপ না নিয়ে নিরব থেকেছেন। মূল হোতাদের না ধরে তার চুনোপুটিদের নামে মামলা দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেছেন।

চট্টগ্রাম ডিপুটি ফরেস্ট অফিসার (ডিএফও) ড. সুনীল কুণ্ড সাংবাদিকদের বলেন, শিপ ইয়ার্ডের বিষাক্ত বর্জ্যরে ফলে উপকূলের ঝাউগাছগুলো মরে যাচ্ছে। তবে বৃক্ষগুলো রক্ষায় বন বিভাগ থেকে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ সময় গাছ কাটার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com