সংবাদ শিরোনামঃ

পদ্মা সেতু প্রশ্নে সরকার গোঁফ নামিয়েছে ** সরকার জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে কালো আইনে বন্দী করে নির্যাতন করছে : এ কে এম নাজির আহমদ ** কালো টাকা : দুই বছরে এক লাখ কোটি টাকা পাচার ** নেতৃত্বসঙ্কটে আওয়ামী লীগ ** কথিত বিচারের নামে তামাশা বন্ধ করে ঈদের আগেই নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দিন ** খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ** বর্তমান সরকারকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ভালো চোখে দেখছে না ** মরিলে কান্দিস না আমার দায় রে ** সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে সরকার ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ** রমজানকে স্বাগত জানিয়ে দেশব্যাপী র্যালি ** নোয়াখালীতে রমজানের স্বাগত র্যালিতে পুলিশের হামলায় ১১ শিবির কর্মী আহত॥ গ্রেফতার ৩৭ **

ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ জুলাই ২০১২, ১২ শ্রাবণ ১৪১৯, ৭ রমজান ১৪৩

যোগ্য সাধারণ সম্পাদক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
॥ মুনতাসির রহমান॥
আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বেড়াজালে আটকে গেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তৃণমূলপর্যায়ে নেতার সঙ্কট নেই, সঙ্কট শুধু কেন্দ্রে। বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যাদের অবস্থান তাদের নিয়ে দলের মধ্যেই বিতর্ক উঠেছে। এক কথায় অযোগ্য, মেধাহীন, অচল ও অনভিজ্ঞদের দিয়ে দল চালানো হচ্ছে। যোগ্য অভিজ্ঞ নেতারা আওয়ামী লীগে থাকলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তারা নেই। দলের কোনো নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত তাদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে না। অনেকটা ‘নিজ দেশে পরবাসী’র মতো কোণঠাসা হয়ে আছেন। অপর দিকে যারা সরব, যাদের হাতে দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তাদের উপর আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের কোনো ভরসা নেই। দলের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানালেন আওয়ামী লীগে এতো বড় নেতৃত্বসঙ্কট আগে কখনো দেখা যায়নি। রাজপথের পরীক্ষিত নেতারা সব সময়ই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ছিলেন। দল সঙ্কটে পড়লে পরীক্ষিত নেতারা সঙ্কট থেকে উত্তরণের  বুদ্ধি পরামর্শ দিয়েছেন। শেখ হাসিনা দলের সভানেত্রী এবং সরকারের প্রধানও। দুই জায়গাতে তাঁর একক নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব। বাস্তব ঘটনা হলো দু’ জায়গাতেই বর্তমানে সঙ্কট বিরাজমান। দলে যেমন সঙ্কট, সরকারেও নেতৃত্বসঙ্কট প্রবল। দল সাড়ে তিন বছর ক্ষমতা পার করেছে। ক্ষমতাসীন হিসেবে দলের মধ্যে যে ধরনের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা থাকার কথা ছিল সেটা পুরোপুরি অনুপস্থিত। সরকার ও দল একাকার হয়ে যাওয়ায় সুবিধাবাদী নেতাকর্মীরা দল গোছানোর পরিবর্তে লুটপাটে বেশি মনোযোগী থেকেছে। শুধু লুটপাট নয়, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধ কর্মকাণ্ড নেই যেটা তারা করছে না। সরকারে যারা দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন তারাও এ কাজটি করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দল বা সরকার যেখানেই হোক না কেনÑ যখন নেতৃত্বে সঙ্কট বা শূন্যতা দেখা দেয় তখন অরাজকতা দেখা দেয়। দৃশ্যত এখন অরাজক পরিস্থিতি বিরাজমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনোভাবেই অরাজক পরিস্থিতিকে সামাল দিতে পারছেন না। সাড়ে তিন বছর ধরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে চলেছে তাকে তিনি কোনোভাবেই সামাল দিতে পারছেন না। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা নিজেই ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী। যার এতো বড় ক্ষমতা, কর্তৃত্ব নেতৃত্ব তিনি কেন পারছেন না ছাত্রলীগের তাণ্ডবলীলা বন্ধ করতে? এ প্রশ্ন কেউ করলে প্রধানমন্ত্রী তার জবাব দেবেন কিভাবে? শুধু ছাত্রলীগ নয়, অন্য যে সকল সহযোগী সংগঠন রয়েছে সেখানেই একই অবস্থা বিরাজমান। সংগঠনের নেতারা যার যার মতো করে চলছেন। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এক প্রবীণ নেতা এ প্রতিবেদককে জানালেন সহযোগী সংগঠনগুলো এখন অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে। আগে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে সংগঠন চলেছে। এ জন্য দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদকের ওপর নজরদারির মূল দায়িত্ব ছিল। এখন সেটা নেই। প্রধানমন্ত্রী গণভবনে বসে নির্দেশনা দেন। যারা গণভবন পর্যন্ত যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন তাদের পোয়া বারো। বাকিরা হতাশার মধ্যে নিমজ্জিত। সম্প্রতি যুবলীগের জাতীয় কাউন্সিল হয়ে গেল। গণতন্ত্রের কথা বললেও নেতা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক পথ অনুসরণ করা হয়নি। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নেতা নির্বাচন করা হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে জনৈক আওয়ামী লীগ নেতা বললেন, গণভবনের নির্দেশেই যদি কমিটি হবে তা হলে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলো কেন? এবারের যুবলীগ শেখ সেলিমের পকেট কমিটি হলো। এমনিতেই নেতৃত্বে শূন্যতা, তার ওপর নিজেদের ইচ্ছামতো এভাবে কমিটি গঠন করলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হবে বলে মনে হচ্ছে না।
খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সাধারণ সম্পাদক
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। অন্য দিকে সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এলজিআরডির দায়িত্বেও তিনি। সরকার ও দল উভয় জায়গাতে তাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রাখা হয়েছে। অতীতে জিল্লুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, বেগম সাজেদা চৌধুরী ও আবদুল জলিলের মতো রাজপথের পরীক্ষিত নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৫ এর মধ্য আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ বড় ধরনের রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ে। রাজনৈতিক সঙ্কটে পড়ার পরও নেতৃত্বে সঙ্কটে পড়েনি। কারণ দলকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো অগণিত পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে আওয়ামী লীগের কোনো রাজনৈতিক সঙ্কট দৃশ্যত নেই, আছে শুধু নেতৃত্বের সঙ্কট। এই সঙ্কট উত্তরণের জন্য বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ মোটেই উপযুক্ত ননÑ এমন মন্তব্য খোদ দলের মধ্য থেকে উঠেছে। তাদের আরো মন্তব্য ওয়ান ইলেভেন সৈয়দ আশরাফের কপাল খুলে দিয়েছে। ওই সময় শেখ হাসিনা যদি জেলে না যেতেন তা হলে তার কপাল খুলতো না।  শেখ হাসিনা দলের শীর্ষ নেতাদের ওপর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে সৈয়দ আশরাফের মতো একজন তৃতীয় সারির নেতাকে গত জাতীয় কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক করেন। কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক করার বিধান থাকলেও সেটা করা হয়নি। শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্তে তাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এতে দলের শীর্ষ নেতারা ুব্ধ ছিলেন। কিন্তু মুখ খুলতে সাহস পাননি। ুব্ধ ছিলেন তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীরাও। কিন্তু একই কারণে তারাও সেদিন মুখ খুলতে সাহস পাননি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীরা চটে গেছেন সৈয়দ আশরাফের ওপর। তার বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। অনেক নেতাকে তিনি চেনেন না। ঢাকায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসে দেখা পান না। কখনো জেলা সফরেও যাননি। তার তদারকির অভাবে অনেক সাংগঠনিক জেলাতে সম্মেলন পর্যন্ত হচ্ছে না।
তার সমালোচনা সরকারের মধ্য থেকেও উঠেছে। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, সৈয়দ আশরাফ মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে কোনো দিন সকালে অফিসে আসতে পারেননি। অফিস করেন খুব কম। তাও দুপুর ১২টার আগে কখনো তিনি অফিসে আসেন না। মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জাহাঙ্গীর কবীর নানক প্রতিমন্ত্রী না থাকলে মন্ত্রণালয় ডুবে যেতো। মন্ত্রণালয়মূলত তিনিই চালাচ্ছেন। যে কারণে সৈয়দ আশরাফ এবং নানকের মধ্যে ঠাণ্ডা লড়াই চলছে। এটা প্রধানমন্ত্রী নিজেও নাকি জানেন। জানেন বলেই নানকের ওপর বেশি ভরসা করছেন। ঠিক একই কারণে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের সঙ্গেও ঠাণ্ডা লড়াই চলছে ভেতরে ভেতরে। মূলত দলের সাধারণ সম্পাদকের কাজ হানিফই করছেন। দল ও সরকারের রাজনৈতিক বক্তব্য বা বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাব হানিফ  দেন। এ জন্য তিনি ুব্ধ। এটাও প্রধানমন্ত্রী জানেন। কিন্তু দু’জনই তার প্রিয়ভাজন হওয়ায় কাউকে কিছু বলেন না। জানা গেছে, সৈয়দ আশরাফের ব্যাপারে দলের তৃণমূলপর্যায়ের নেতারা অনেকবার নালিশ দিয়েছেন। কিন্তু তিনি এ ব্যাপারে এখন ও কিছু বলছেন না।
দলের কাউন্সিল আগামী ডিসেম্বরে হওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসে কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও উপযুক্ত সাধারণ সম্পাদক খুঁজে না পওয়ায় কাউন্সিল করা সম্ভব হয়নি। দলের সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, দলের তরুণ একটি অংশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনিকে সাধারণ সম্পাদক করতে প্রধানমন্ত্রীকে চাপ দেন। এতে তিনি ভীষণ ুব্ধ হয়ে জাহাঙ্গীর কবীর নানককে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। দীপু মনিও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সিনিয়র নেতাদের মধ্যে আমীর হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আবদুল জলিল, শেখ সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, কাউকেই সাধারণ সম্পাদক পদে বসাবেন না। যোগাযোগ ও রেলমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তাকে মন্ত্রী করার পর সে সম্ভাবনাও ভেস্তে গেছে। ওবায়দুল কাদের কাজের চেয়ে কথা বেশি বলেন, বলে তার ওপর শেখ হাসনা ভীষণ ুব্ধ। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মতো রয়েছেন আরো দু’জন বেগম সাজেদা চৌধুরী  এবং বেগম মতিয়া চৌধুরী। মতিয়া চৌধুরী বামপন্থী; যে কারণে তাকে করা হবে না; আর বেগম সাজেদা চৌধুরী যদিও আগে দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে দলের মধ্য থেকে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। যে কারণে তাকে মন্ত্রী পর্যন্ত করেননি শেখ হাসিনা। অনেক তদ্বিরের পর তাকে সংসদ উপনেতা করেছেন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক হওয়ার মতো উপযুক্ত ও যোগ্য নেতা দলের মধ্যে খুঁজে পাচ্ছেন না শেখ হাসিনা। যে কারণে তিনি উভয় সঙ্কটে পড়েছেন। সৈয়দ আশরাফকে ফের রাখতে গেলে দলের সাংগঠনিক অবস্থান আরো ভঙ্গুর হয়ে যাবে। আবার উপযুক্ত নেতাও খুঁজে পাচ্ছেন না। দলের হতাশাগ্রস্ত নেতারা বলেছেন, দলের মধ্যে নেতৃত্ব সঙ্কটের জন্য সভানেত্রী নিজেই দায়ী। তাঁর একক নেতৃত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির কারণে যোগ্য নেতা সামনে আসতে পারছে না।

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com