সাবেক আমীরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আযমের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গত ১৯ জুলাই রাজধানীতে মিছিল বের করে : সোনার বাংলা
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জাতীয় নেতৃবৃন্দের চরিত্র হননের আয়োজন করেছে।
মূলত তারা রাজনৈতিক প্রতিপকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে বিরোধী দলের ওপর জুলুম-নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। সরকার বিশেষভাবে জামায়াতকে টার্গেট করেছে। তারা জামায়াত ধ্বংসের নীল নকশার অংশ হিসেবেই ৪০ বছর আগে মীমাংসিত কথিত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে আমীরে জামায়াতসহ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ সরকারের এই প্রহসনের বিচার কখনোই মেনে নেবে না। তিনি ঈদের আগেই আমীরে জামায়াত মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। গত ২৩ জুলাই সোমবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর বিমানবন্দর থানা আয়োজিত এক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। থানা আমীর এম কে মিঠুর সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি মাওলানা মকবুল আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য আবু নাহিদ। বক্তব্য রাখেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট ইব্রাহীম খলিল, অধ্য এনামুল হক শিপন, আলফাজ উদ্দীন ও আবুল হোসাইন প্রমুখ। মনজু ভূঁইয়া বলেন, সরকারের লাগামহীন দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে অর্থায়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সরকার দাতা সংস্থার অর্থ আত্মসাতের পর এখন দেশের হতদরিদ্র জনগণের অর্থ আত্মসাতের জন্যই নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের দিবাস্বপ্ন দেখছে। সরকারের নির্লিপ্ততার কারণেই বুয়েট পরিস্থিতি এখন অশান্ত। তিনি সরকারকে হঠকারিতা পরিহার করে বুয়েটসহ দেশের সকল শিাপ্রতিষ্ঠানে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্যর্থ সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
