বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে সরকারকে অধ্যাপক এ কে এম নাজির আহমদ
জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ রাজবন্দীদের মুক্তি দিন
গত ৩১ জুলাই মঙ্গলবার রূপসী বাংলা হোটেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনসহ নেতৃবৃন্দ মুনাজাত করছেন
সোনার বাংলা রিপোর্ট : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম নাজির আহমদ বলেন, পবিত্র রমজানে ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে আল্লাহ আমাদের সবাইকে এখানে ইফতার মাহফিলে সমবেত হওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি মহান আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া আদায় করছি। যারা কষ্ট করে মাহফিলে উপস্থিত হয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের এই মাহফিলে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর। কিন্তু সরকার মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে সরকার অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে রেখেছে। সে জন্য তারা এই মাহফিলে আজ উপস্থিত থাকতে পারেননি। তিনি সকল রাজবন্দীর মুক্তির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দেশের বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, প্রাক্তন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ওলামা-মাশায়েখ, ব্যবসায়ী ও কৃষিবিদসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলের উইন্টার গার্ডেনে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এক সংপ্তি ভাষণে একথা বলেন।
ইফতার মাহফিলে মুনাজাত পরিচালনা করেন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সোবহান। বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা এবং গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তি কামনা করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. তাসনীম আলম।
এ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির সভাপতি এড. আবদুল মোবিন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মুর্তজা, ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি শেখ আনোয়ারুল হক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট নূরুল হক মজুমদার, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, পিপলস লীগের সভাপতি খাজা গরিব এ নেওয়াজ, বাংলাদেশ লেবারপার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মুসলিম লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম আল মামুন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ প্রণ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী এমকে আনোয়ার এমপি, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, নিলুফার চৌধুরী মনি এমপি, মোসাম্মাদ শাম্মী আখতার এমপি, রেহানা অক্তার রুনু এমপি, সৈয়দা আসফিয়া আক্তার পাপিয়া এমপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সেক্রেটারি মিসেস শিরিন সুলতানা, বিএনপি নেত্রী বেগম রাজীয়া ফয়েজ, বেগম সেলিমা রহমান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট বোরহান উদ্দিন, ঢাকা জেলা আইনজীবী সামিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোশারফ হোসেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, শর্ষিনার পীরসাহেব শাহ্ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী, বিশিষ্ট কবি আল মুজাহিদী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক মহিউদ্দিন আলমগীর, দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমীন গাজী, ডিইউজের সভাপতি আবদুস শহীদ, সাবেক ডিইউজের সেক্রেটারি সরদার ফরিদ, বিশিষ্ট কলামিস্ট মাহফুজউল্লাহ, অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, কবি আব্দুল হাই শিকদার, অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রহমান, সাদেক খান, নূরুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আমিনুর রহমান মজুমদার, অধ্যাপক মাহমুদ হাসান, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক কোরবান আলী, অধ্যাপক ফজলুল হক, সাবেক সচিব মোতাহার হোসেন, এসএম সোলায়মান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, এডভোকেট তাজুল ইসলাম, সাবেক এটর্নি জেনারেল এ জেড মোহাম্মদ আলী, এডভোকেট মিজানুর রহমান, এডভোকেট খসরু, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ, ড্যাবের মহাসচিব ডা. জাহিদ, ডা. ফাহমিদুর রহমান, ডি এ ইর সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, ব্রিরির সাবেক মহাপরিচালক মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা এটিএম মাসুম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মমিনুল ইসলাম পাটওয়ারী, মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী, এডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, আহমদ উল্লাহ ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আব্দুর রব, অধ্য ইজ্জত উল্লাহ, অধ্যাপক মো. শাহেদ আলী, এড. এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, অধ্য মুহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, মাওলানা আবদুল হালিম, সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আমিনুল ইসলাম, এডভোকেট মুয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
এ পাতার অন্যান্য খবর
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাব হাসিনার : খালেদা জিয়ার প্রত্যাখ্যান
- হুমায়ূন আহমেদ : মৃত্যু নাকি হত্যা
- জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাকওয়ার প্রতিফলন প্রয়োজন
- রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই ফারুক হত্যা মামলায় নেতৃবৃন্দকে আসামি করা হয়েছে : মকবুল আহমাদ
- মিয়ানমারের নিরাপত্তারীরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আটক করে হত্যা ধর্ষণে লিপ্ত
- হুমায়ূন আহমেদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে শাওন ও মাজহারের বিরুদ্ধে মামলা
