সরকার পরে সাী ৪৪ জন হলেও সাঈদীর পরে সাী কাটছাঁট করে আদেশ প্রদান
এটা হাত-পা বেঁধে আসামিকে জবাই করে দেয়ার শামিল ন্যায়বিচারের পথ কবরস্থ করা হলো : আইনজীবী
সোনার বাংলা রিপোর্ট : সরকার প মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিপে ৪৪ জন সাীর বক্তব্য রেকর্ড করালেও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পরে স্যা প্রদানের জন্য মাত্র ২০ জন নির্ধারণ করে আদেশ দিয়েছেন। গত ১৪ আগস্ট বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ২৩ আগস্ট ২০ জন সাীর নাম ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে অভিযুক্ত পরে আইনজীবীকে।
এই আদেশের তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, এই আদেশের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের সমস্ত পথ তিরোহিত করা হলো। তিনি ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বলেন, এই আদেশ হাত-পা বেঁধে গরু জবাই করে দেয়ার মতো। জোর করে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা হলো। তিনি এই আদেশ পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ২০ জন সাী আনতে বলার অর্থ এখানে আমাদের আসার দরকার নেই। সাীর সংখ্যা লিমিট করে দেয়ার অধিকার ট্রাইব্যুনালের নেই। আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ২০টি। তা প্রমাণ করার জন্য তারা ২৮ জন সাী হাজির করেছে। আরও ১৬ জনের পে তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত জবানবন্দী আদালত গ্রহণ করেছে। সব মিলিয়ে অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য তাদের সাী ৪৪ জন। আর আমার অভিযোগ খণ্ডনের জন্য ২০ জন সাী আনতে পারব। এটা কোন ধরনের বিচার। ২০টি অভিযোগের একেকটির মধ্যেই অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে যার মধ্যে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের মতো অভিযোগ রয়েছে। এতে আসামির ফাঁসি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মাত্র ২০ জন সাী হাজির করার আদেশ দেয়া খারাপ নজির স্থাপিত হবে বলে উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। তিনি এই আদেশ না দেয়ার অনুরোধ করে বলেন, আমাদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামিপ যতজন সাী প্রয়োজন ততজন হাজির করতে পারবে এটাই আইনে আছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই ট্রাইব্যুনাল কারো কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। অসীম মতার অধিকারী। সাী কমিয়ে তাড়াহুড়া করে ন্যায়বিচারকে কবরস্থ করবেন না। ট্রাইব্যুনাল বলেন, আপনারা ২৩ তারিখে ২০ জনের নাম দেন। তারপর আমরা যদি দেখি আরও সাী প্রয়োজন তখন আমরা দেখব। আশা করি আপনারা প্রিজুডিস হবেন না। তাজুল ইসলাম বলেন, তারা রাষ্ট্র মতায় আছে। আমরা ৪৮ জন সাীর নাম দিয়েছি। তারা তো ইতোমধ্যেই অনেকের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করেছে। বাকিদের তো আসতেই দিবে না। এই আদেশ ভুল আদেশ। তিনি এই ধরনের আদেশ দিয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন না করার অনুরোধ জানালে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, অর্ডার হ্যাজ বিন পাসড। আমরা এর আগে জেরার সময় বেঁধে দিয়ে পরে তো কনসিডার করেছি। দেখেন কি হয়। ২৩ তারিখে নাম জমা দেন। তিনি সবার কাছে দোয়া চান যাতে ঈদের পরে ‘ন্যায়বিচার’ করার বাকি কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারেন।
বিচারপতি নিজামুল হক ট্রাইব্যুনালের আদেশে বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ২০টি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৮ জন সাী হাজির করেছে যার মধ্যে ২০ জন প্রত্যদর্শী সাী। বাকিদের মধ্যে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিজে এবং ৭ জন জব্দ তালিকার সাী। আদেশে ডিফেন্সের ৪৮ জন সাীর নামের তালিকা জমা দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, আমরা আসামির পরে ২০ জন সাীকে আদালতে হাজির করার আবেদন মঞ্জুর করলাম। আগামী ২৩ তারিখে ২০ জনের নাম জমা দিতে হবে এবং ২৮ তারিখ থেকে তাদের স্যা প্রদান শুরু হবে। অভিযুক্ত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বক্তব্য রাখার বিষয়টিও বাদ দেয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, সব সাী শেষে তিনি কথা বলতে পারবেন। আর অভিযোগ গঠনের আদেশ পড়ে শুনানোর পর তিনি দোষী না নির্দোষ এ ব্যাপারে তার কথা বলার সুযোগ ছিল যেটা তিনি বলেছেন। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে তাজুল ইসলাম বলেন, আপনারা বলেছেন এটা দেশীয় ট্রাইব্যুনাল। আইনের প্রয়োগও হচ্ছে দেশীয় কায়দায়। তাহলে এ েেত্র দেশীয় আদালতে যে প্রাকটিস হয়ে থাকে সেই অনুযায়ী মাওলানা সাঈদী প্রসিকিউশনের সাীদের বক্তব্য সম্পর্কে নিজে কথা বলতে পারেন যেহেতু প্রসিকিউশনের সাী শেষ।
এ নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কে আরও অংশগ্রহণ করেন মাওলানা সাঈদীর পে ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন। অপর দিকে রাষ্ট্রপে ছিলেন প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী।
এর আগে মাওলানা সাঈদীর পে দায়ের করা কয়েকটি আবেদনের নিষ্পত্তি করা হয়। এর মধ্যে গত ১৩-৮-১২, ২২-৭-১২, ৩০-৫-১২, ১৪-৫-১২, এবং ২৬-৪-১২ তারিখের জেরার যে বক্তব্য আদালত গ্রহণ করেনি তা গ্রহণ করার আবেদন জানানো হয়। আদালত এগুলো রেকর্ডে রাখার আদেশ দেন। অন্যদিকে মুকুন্দ চক্রবর্তীর পে তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত বক্তব্য জবানবন্দী আকারে গ্রহণকরে ট্রাইব্যুনাল যে আদেশ ইতঃপূর্বে দিয়েছেন তার পুনর্বিবেচনা করার আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেয়া হয়। আসামির সাথে পুনরায় আইনী পরামর্শ করার আদেশ দিতে চেয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল ২২ আগস্ট। এটা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক হয়। এতে তানভীর আল আমিন বলেন, তাহলে তো ঈদের ছুটি বলতে কিছু থাকে না। তাজুল ইসলাম বলেন, ২২ আগস্ট কেউই আসতে পারবে না। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের অনেক কাজ আছে। আপনারা ঈদের ছুটি কাটাতে পারবেন না। পরে ২৪ আগস্ট জেলখানায় ২ জন আইনজীবীর সাাতের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
আমার পিতার নাম বিকৃতভাবে উপস্থাপন করার কোনো সুযোগ নেই : মাসুদ সাঈদী
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, কারারুদ্ধ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম বিকৃত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে তার পুত্র মাসুদ সাঈদী গত ১৩ আগস্ট সোমবার বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার পিতার নাম সংশোধন নিয়ে সরকার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে তার ভাবমর্যাদা ুণœ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ সম্পর্কে পরিবারের প থেকে আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো, দাখিল পরীার সার্টিফিকেটে আমার পিতার নাম দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, পিতা ইউসুফ সাঈদী লেখা আছে। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য প্রার্থীফরম পূরণের সময় নির্বাচন কমিশনের বিধি মোতাবেক আমার পিতার শিাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট জমা দেয়ার জন্য সার্টিফিকেট উঠাতে গিয়ে দেখা গেল তার আলিম পরীার সার্টিফিকেটে তার নাম ভুলবশত আবু নাঈম মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী লেখা হয়েছে। আমার পিতার নামের এই ভুল সংশোধনের জন্য মাদরাসা শিাবোর্ডের সকল নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান মেনে মাদরাসা বোর্ড কর্তৃপ বরাবরে আবেদন করলে বোর্ড কর্তৃপ আবু নাঈম মোহাম্মদ অংশটুকু কেটে দিয়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী লিখে আমার পিতার আলিমের সার্টিফিকেটে লিখিত নামের ভুল সংশোধন করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, পরিবারের প থেকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, কথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় আমার পিতাকে গ্রেফতারের পর থেকেই তার নাম বিকৃত করে জনগণের সামনে উপস্থাপনের অপচেষ্টা মামলার শুরু থেকেই সরকার প করে আসছিলেন। জনৈক ‘দেলোয়ার শিকদার’-এর ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পিরোজপুরে সংঘটিত করা সকল অপরাধের দায়ভার আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপর চাপানোর জন্য আমার পিতাকে ‘দেলোয়ার হোসেন শিকদার’ বা কখনো ‘দেলোয়ার হোসেন বর্তমান সাঈদী’ এই নামে আদালতে সাীদের দেয়া জবানবন্দীতে সরকার প বলিয়েছে। আমার পিতার ১৯৫৭ সালে দাখিল সার্টিফিকেট, ১৯৬৪ সাল ও তৎপরবর্তী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করা তাফসির মাহফিলের লিফলেট, ১৯৭৪ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণসহ কিছু এলাকায় করা আমার পিতার সিরাত মাহফিলের রিপোর্ট, ১৯৭৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আমার পিতার সকল পাসপোর্ট আমরা ইতোমধ্যেই ডিফেন্স ডকুমেন্ট হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি, যেখানে প্রত্যেকটি ডকুমেন্টই প্রমাণ করে জন্ম থেকেই আমার পিতার নাম দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, পিতা ইউসুফ সাঈদী। আমার পিতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। তিনি বলেন, আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা, প্রসিকিউশন কর্তৃক জমাকৃত বিভিন্ন ডকুমেন্ট এবং আমাদের জমা দেয়া কাগজে দেশবাসীর সামনে যখন এই কথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় ৭১ সালে জনৈক দেলোয়ার শিকদারের করা অপরাধের দায়ভার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপর চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তখনই উপরোক্ত চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে সরকার আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং তার নামকে বিকৃত করার নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কোনো একজন ব্যক্তির নাম ও বয়স সংশোধনের পরে তা তদন্তের নামে সংসদীয় কমিটি গঠনের কোনো ইতিহাস পৃথিবীতে আছে কিনা তা আমাদের জানা নাই। জনৈক দেলোয়ার সিকদারের কর্মকাণ্ডের দায়-ভার আমার পিতার ওপর চাপানোর হীন উদ্দেশ্যেই সরকার আমার পিতার নাম বিকৃত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আমার পিতা ‘আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী’ হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। তার নাম বিকৃতভাবে উপস্থাপন করার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই এ ধরনের অপচেষ্টা চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
মাওলানা সাঈদীর বক্তব্য ও পরে সাী ২৬ আগস্টের পরে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর বিশ্ববরেণ্য মোফাসসিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর বিরুদ্ধে আনীত ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের কথিত অভিযোগের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের জেরা শেষ হয়েছে। ঈদের পরে শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে মাওলানা সাঈদীর বক্তব্য রাখার দিন ধার্য করবে ট্রাইব্যুনাল। তার পরপরই তার পরে সাীদের স্যাগ্রহণ শুরু হবে। মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম জানিয়েছেন তার পে ৪৬ জন সাীর নাম দেয়া আছে। এ থেকে ২/১ জন বাড়তে পারে। তবে পঞ্চাশের ওপরে হবে না। পিরোজপুরের প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধারাই মাওলানা সাঈদীর পে ট্রাইব্যুনালে স্যা দিতে আসবেন বলে জানান তিনি। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপরে সাীদের জবানবন্দী ও জেরা প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাদের নিজেদের ডকুমেন্টেই জেরার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগাই মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এখন তারা সাঈদী সাহেবের নাম বিকৃত করা নিয়ে সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এটা তার বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র। আর এই কমিটি এমন সময় করা হলো যখন তাদের ডকুমেন্টেই ধরা পড়েছে যে, সাঈদী সাহেবের নাম বিকৃত করে সরকার অন্য একজনের অপরাধ মাওলানা সাঈদীর ঘাড়ে চাপিয়ে শাস্তি দিতে চায়। গতকাল তদন্ত কর্মকর্তার শেষ দিনের জেরায় বেরিয়ে এসেছে যে, সাী আশিসকুমার মণ্ডল, সুমতি রানী মণ্ডল ও সমর মিস্ত্রিকে ঢাকায় এনে তদন্ত সংস্থার নিয়ন্ত্রিত সেইফ হোমে রাখা হয়েছিল। ভয় দেখিয়ে, মানসিক চাপ প্রয়োগ করার পরও তারা সরকার পরে শেখানো মতে সাী দিতে রাজি না হওয়ায় তাদেরকে পিরোজপুরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। অথচ তাদের সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছিল যে, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে আদালতের কাছ থেকে আদেশ নিয়েছে, যে আদেশে তাদের পে তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত বক্তব্যকেই তাদের জবানবন্দী হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
বিচারপতি নিজামুল হক, বিচারপতি আনোয়ারুল হক ও এ কে এম জহির আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গত ১৩ আগস্ট সোমবার বেলা সোয়া ২টায় শেষ হয় তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের জেরা। এটা ছিল দিবস হিসেবে তার ৪৮তম জেরার দিন। গত ৮ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ কার্য দিবসে তিনি তার জবানবন্দী প্রদান করেন। ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত ৪৮ কার্য দিবসে তার জেরা শেষ হলো। তবে এই ৪৮ দিবসের মধ্যে কোন কোন দিন এক ঘণ্টাও জেরা হয়েছে। কোন দিন আধা বেলা, কোন দিন ২ ঘণ্টা এরূপ দিনই ছিল প্রায় অর্ধেক। গুরুতর অসুস্থতার কারণে গত ১৪ আগস্টও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়নি। ১৪ আগস্ট মাঙ্গলবারই মাওলানা সাঈদীর বক্তব্য এবং তার পরে সাী হাজির করার দিন ধার্য করতে আগ্রহী ছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এডভোকেট মিজানুল ইসলামের আপত্তির কারণে সেটা আগামী ২৬ আগস্টের পরে হবে বলে আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তার আগে কয়েকটি আবেদনের নিষ্পত্তি করা হবে এবং জেলগেটে তার আইনজীবীরা তার সাথে আইনী পরামর্শ করবেন আদালতের নির্দেশ সাপে।ে ১৪ আগস্ট মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ দেয়া হবে।
গত ১৩ আগস্ট সোমবার জেরায় এডভোকেট মিজানুল ইসলামকে সহায়তা করেন এডভোকেট মনজুর আহমেদ আনসারী, ব্যারিস্টার তানভীর আল আমিন ও এডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক।
জেরার অংশবিশেষ দেয়া হলো :
প্রশ্ন : সাী হাজিরার জন্য সর্বশেষ প্রসেস নিয়ে কার বাড়িতে আপনি গিয়েছিলেন?
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : সর্বশেষ প্রসেস কে কোথায় নিয়ে যায়?
উত্তর : যশোর যায় সর্বশেষ প্রসেস নিয়ে। তবে আমি নিজে যাইনি।
প্রশ্ন : সাী হাজির করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে কিভাবে জানিয়েছিলেন?
উত্তর : প্রসেস যশোরের এসপি সাহেবের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
প্রশ্ন : যশোরের কতজন সাীর প্রসেস আপনি পেয়েছিলেন?
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ট্রাইব্যুনাল মোট ২৯ জন (৯+১১+৯০) সাীর প্রসেস আপনাকে দিয়েছিল।
উত্তর : হতে পারে।
প্রশ্ন : বাকি সাীদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে প্রসেস পাওয়ার জন্য আপনি প্রসিকিউশনকে বলেছিলেন?
উত্তর : না, বলি নাই।
প্রশ্ন : প্রসিকিউশনের প থেকে এই ২৯ জনের বাইরে কারো হাজির করার বিষয়ে আপনার ওপর নির্দেশনা ছিল না।
উত্তর : জি না, নির্দেশনা ছিল।
প্রশ্ন : প্রসিকিউশন আপনাকে লিখিত না মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল?
উত্তর : মৌখিক নির্দেশ।
প্রশ্ন : সাীদের ঢাকায় এনে রাখার জায়গা একটিই ছিল?
প্রশ্ন : এই সাীদের রাখার জায়গাটি ছিল পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে।
উত্তর : জি, দায়িত্ব ছিল তদন্ত সংস্থার। দায়িত্ব পালনকারীরা ছিল পুলিশের লোক।
প্রশ্ন : ১৬-১১-২০১১ তারিখে উইটনেস হোমে সাী হিসেবে মাহবুবুল আলম হাওলাদার, মাহতাব উদ্দিন হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, মানিক পসারী, আশিসকুমার মণ্ডল, সমর মিস্ত্রি, রুহুল আমিন নবীন, আলতাফ হাওলাদার এবং আব্দুল লতিফ হাওলাদার এসেছিলেন।
উত্তর : ১৬ তারিখে এসেছিল কিনা জানি না। তবে নভেম্বর মাসে ৬ জন সাীকে আমি পিরোজপুর থেকে নিয়ে এসেছিলাম। মাহবুবুল আলম হাওলাদার, মাহতাব উদ্দিন হাওলাদার, মানিক পসারী, রুহুল আমিন নবীন, মোস্তফা হাওলাদার ও মিজানুর রহমান তালুকদারকে উইটনেস হাউসে নিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দেই।
প্রশ্ন : সাী মিজানুর রহমান তালুকদারকে আপনি পিরোজপুর থেকে নিয়ে আসেননি। তিনি ঢাকায় থাকেন এবং ঢাকার বাসা থেকেই এসেছিলেন।
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : একই দিনে একই সময় এই ৬ জনকে তদন্ত সংস্থার নিকট আপনি হাজির করেছিলেন।
উত্তর : জি।
প্রশ্ন : মিজানুর রহমান তালুকদারকে আপনি আদৌ হাজির করেননি। তিনি ১৭/১১/১১ তারিখে নিজ উদ্যোগে উইটনেস হাউসে অন্য সাীদের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন।
উত্তর : আমি মিজানুর রহমানকে ঢাকার বাসা থেকে এনে অন্যদের সাথে ১৬ তারিখে উইটনেস হোমে বুঝিয়ে দিই। পরবর্তীতে কি হয়েছিল তা জানি না।
প্রশ্ন : ১৭/১১/২০১১ তারিখে সাী সুলতান আহমেদ ও আশিসকুমার মণ্ডলের ভগ্নিপতি গোপাল কৃষ্ণ মিস্ত্রি এবং তার মেয়ে চন্দ্রিমা মিস্ত্রি এই উইটনেস হোমে এসেছিল।
উত্তর : আমি জানি না।
প্রশ্ন : ১৭-১১-২০১১ তারিখে ২০টা ১০ মিনিটে উইটনেস হোমে প্রসিকিউটরদের রুমে সাীদের ব্রিফ করা হয়েছিল।
উত্তর : আমি জানি না।
প্রশ্ন : ১৯-১১-১১ তারিখে সাী সমর মিস্ত্রিকে বেলা ২টা ২০ মিনিটে পুলিশের এ্যাম্বুলেন্সে করে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
উত্তর : আমি জানি না।
প্রশ্ন : ২০-১১-১১ তারিখে আপনি নিজে উইটনেস হোমে অবস্থানরত সাী রুহুল আমিন নবীন, মাহবুবুল আলম হাওলাদার এবং মিজানুর রহমান তালুকদারকে নিয়ে ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : ২০-১১-১১ তারিখে সাী আশিসকুমার মণ্ডল ও সমর মিস্ত্রিকে চিকিৎসার জন্য মহাখালী এ্যাজমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ২২-১১-১১ তারিখে সাী মাহবুব হাওলাদার, মাহতাব উদ্দিন, আব্দুল লতিফ এবং সমর মিস্ত্রিকে সরকারি গাড়িতে করে পিরোজপুরে ফেরত পাঠানো হয় তাদের সাথে ছিলেন এস আই এনামুল হক।
উত্তর : সত্য নয়। তবে মাহবুব, মাহতাব, মোস্তফা এবং মানিক পসারী এই ৪ জনকে বাসযোগে পিরোজপুরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সাী মিজানুর রহমান ও রুহুল আমিন নবীন ঢাকায় থেকে যায়।
প্রশ্ন : ২২/১১/১১ তারিখে সাী রুহুল আমিন নবীন, মোস্তফা, মানিক পসারী, সুলতান ৪টা ২০ মিনিটে পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : ১/১২/১১ তারিখে পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র) সৈয়দ শফিকুল ইসলাম রাজারবাগ থেকে উইটনেস হোমে বদলি হয়ে আসেন।
উত্তর : আমি জানি না।
প্রশ্ন : শফিকুল ইসলামকে আপনি চেনেন?
উত্তর : না, চিনি না।
প্রশ্ন : ৪/২/২০১১ তারিখ সাী মিজানুর রহমান, মাহবুবুল আলম হাওলাদার, মাহতাব হাওলাদার, রুহুল আমিন নবীন, মানিক পসারী ও সুলতান আহমেদ উইটনেস হোমে আসেন। তাদের সাথে সুলতান আহমেদের মেয়ে সোনিয়া সুলতানাও ছিল।
উত্তর : আমি জানি না। তবে ৭/১২/১১ তারিখে সাীর দিন থাকায় তার ২ দিন পূর্বে আমি ৫ জন সাীকে তদন্ত সংস্থায় হাজির করে দিয়েছিলাম। এরা হলেন, মাহবুবুল আলম হাওলাদার, মাহতাব উদ্দিন হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, মানিক পসারী এবং রুহুল আমিন নবীন।
প্রশ্ন : ৭/১২/১১ তারিখে আপনি নিজে উইটনেস হোম থেকে মানিক পসারী, রুহুল আমিন নবীন, সুলতান আহমেদ, মাহবুব হাওলাদার ও মাহতাব উদ্দিন হাওলাদারকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে এসেছিলেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : ৮/১২/১১ তারিখে এই ৫ জন সাীকে পুনরায় ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছিল।
উত্তর : সত্য নয়। তবে সুলতান আহমেদ আসেননি। মিজানুর রহমান তালুকদার এবং বাকি ৫ জন এসেছিলেন।
প্রশ্ন : ১২/১২/১১ তারিখে সাী মাহবুব আলম, সুলতান আহমেদ ও রুহুল আমিন নবীনকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছিল?
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ঐ তারিখেই সাী মাহবুব আলম হাওলাদার ও খলিলুর রহমানকে এই ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটরদের নিকট হাজির করা হয়।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ১৮/১২/১১ তারিখে মানিক পসারী, সুলতান হাওলাদার, রুহুল আমিন নবীন ও মাহতাব উদ্দিন হাওলাদার পুনরায় উইটনেস হোমে ফেরত আসেন।
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ১৯/১২/১১ তারিখে রুহুল আমিন নবীন, মিজানুর রহমান তালুকদার ও মাহবুব হাওলাদারকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছিল।
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২০/১২/১১ তারিখ পুলিশ পরিদর্শক আমজাদ হোসেন এই ৩ জন সাীকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসেন।
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২১/১২/১১ তারিখে মায়ের মৃত্যুর কারণে মানিক পসারীকে উইটনেস হোম থেকে বাড়ি পাঠানো হয়েছিল।
উত্তর : বাড়ি পাঠানো হয়েছিল। তবে তারিখ স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২২/১২/১১ তারিখে মাহবুব হাওলাদার, মাহতাব হাওলাদার ও সুলতান আহমেদকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২৪/১২/১১ তারিখ মাহবুব আলম হাওলাদার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
উত্তর : সাী শেষে সে বাড়িতে চলে যায়। তবে তারিখ মনে নেই।
প্রশ্ন : ২৬/১২/১১ তারিখে মানিক পসারী, মিজানুর রহমান এবং মাহতাব হাওলাদার তাদের ৫ জন মেহমানসহ উইটনেস হোমে হাজির হয়।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ইন্সপেক্টর ওবাইদুল্লাহকে আপনি চেনেন?
উত্তর : চিনি, তিনি তদন্ত সংস্থায় কর্মরত আছেন।
প্রশ্ন : ২৮/১২/১১ তারিখে উইটনেস হোম থেকে একটি প্রতিবেদন তদন্ত সংস্থায় কর্মরত অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ আব্দুর রহিমের নিকট প্রদান করা হয়।
উত্তর : একটি প্রতিবেদন সম্ভবত প্রেরণ করা হয়। তবে তারিখ নিশ্চিত নই।
প্রশ্ন : একই তারিখে এস আই আব্দুল্লাহ আল বাকি সাী মানিক পসারী, মফিজ উদ্দিন পসারী, সুলতান আহমেদ উইটনেস হোম থেকে রওয়ানা দেয়ার প্রাক্কালে আপনাকে অবহিত করেন।
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২৯/১২/১১ তারিখে সাী মানিক পসারী, সুলতান হাওলাদার, মাহতাব হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, মফিজ পসারী, মকলেস পসারীসহ ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন।
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ৩০/১২/১১ তারিখে অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে সাীদেরকে ৪টি কম্বল কিনে দেয়া হয়েছিল।
উত্তর : এ সংক্রান্তে আমি কিছু জানি না।
প্রশ্ন : ঐ তারিখে সব সাীসহ আপনি নিজে সাী মিজানুর রহমান তালুকদারের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন।
উত্তর : সত্য নয়।
প্রশ্ন : ১/১/১২ তারিখ সাী সুলতান আহমেদ, মফিজ পসারী, মোঃ মোস্তফা, মাহবুব হাওলাদার, মাহতাব হাওলাদার ও আব্দুল লতিফ হাওলাদার ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন।
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ২/১/২০১২ তারিখে সাী মাহতাব হাওলাদার, মকলেস পসারী, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, মোহাঃ মোস্তফা, আলতাফ হাওলাদার ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন।
উত্তর : স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ঐ দিনই মফিজ বাড্ডায় তার মেয়ের বাসায় চলে যায়।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ৩/১/১২ তারিখে সাী সুলতান আহমেদ এবং আশিসকুমার মণ্ডল পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ৪/১/১২ তারিখ উইটনেস হোম থেকে সাী দেয়ার জন্য আলতাফ, মাহতাব, লতিফ, খলিল ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন।
উত্তর : আমার স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : ৫/১/১২ তারিখে সাী মাহবুব হাওলাদার, মাহতাব হাওলাদার, খলিলুর রহমান, আলতাফ হাওলাদার, আব্দুল লতিফ হাওলাদার ও অন্য এক ব্যক্তি উইটনেস হোম থেকে পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।
উত্তর : আমার জানা নেই।
প্রশ্ন : ৭/১/১২ তারিখ সাী আইয়ুব আলী তালুকদার, জলিল শেখ, বাসুদেব মিস্ত্রি স্যা দেয়ার জন্য পিরোজপুর থেকে এসে উইটনেস হোমে পৌঁছে।
উত্তর : কবে কাকে হাজির করেছিলাম তা স্মরণ নেই।
প্রশ্ন : পরদিন অর্থাৎ ৮/১/১২ তারিখে এই সাীদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছিল।
উত্তর : স্মরণ নেই।
এ পাতার অন্যান্য খবর
- পবিত্র রমজান মাসেও বাংলাদেশের আলেমরা নির্যাতনের শিকার : ড. আব্দুর রহমান আল বীর
- লন্ডনে রোহিঙ্গা বিােভের মুখে শেখ হাসিনা
- মহেশখালী-কুতুবদিয়ার উন্নয়নের মাস্টার প্লানের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে : হামিদ আযাদ এমপি
- প্রথম আলোর বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনে মহানগরী জামায়াতের প্রতিবাদ
- শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের ইন্তেকালে মকবুল আহমাদের শোক
- মুরাদনগরে সাংবাদিকদের নিয়ে জামায়াতের ইফতার
- গেল সপ্তাহের সংক্ষিপ্ত খবর
- ২৫ আগস্ট মুজাহিদের সাথে জেলখানায় আইনী পরামর্শ করবেন দুই আইনজীবী
- কাদের মোল্লাকে কাউকে হত্যা করতে দেখিনি
- কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাীকে হাজির করতে পারেনি রাষ্ট্রপ পরবর্তী শুনানি ২৮ আগস্ট
- মীর কাসেম আলীর পরবর্তী তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর
- নিউ ভিশন গ্র“পের চট্টগ্রাম অফিসের শুভ উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল
- শিশু কিশোরদের ইসলামের আলোকে মুজাহিদরূপে গড়ে তুলতে হবে
- ইয়েস গ্র“পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালক উন্নয়ন এর সৌদি আরব গমন
- ঈদের আগেই গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করুন : আলাউদ্দিন আল আজাদ
- নোবেল নিবাস এর চুক্তি স্বাক্ষর
- একটি মানবিক আবেদন
- সাহায্যের আবেদন
- ‘আল-কুরআন ও মাহে রমজান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আবদুল মান্নান
