সাপ্তাহিক সোনার বাংলার সাথে একান্ত সাাৎকারে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া
দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে অবশ্যই হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি আসবে
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া সাপ্তাহিক সোনার বাংলার সাথে একান্ত সাাৎকারে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি অসহিষ্ণু রাজনৈতিক দল। তারা বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের নির্যাতনে এতটাই উৎসাহী যে, এজন্য সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রয়োজন নেই, তারা এমনিতেই মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার নির্যাতন করতে পারে। আমাদের চুয়াল্লিশজন নেতার বিরুদ্ধে হরতালে গাড়ি পোড়ানো এবং বোমা হামলা মামলা দিয়েছে। ১৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ হরতালের সময় গাড়ি পুড়িয়েছে, বোমা মেরেছে? তাই এ কথা ভাবার কোনো কারণ নেই কারো ভয়ে আমরা হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি থেকে দূরে আছি। আমরা দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। সরকারের দুঃশাসনে তারা এমনিতেই কষ্টে আছে, এ কথা ভেবেই এই মুহূর্তে হরতাল অবরোধ ডাকা হচ্ছে না। দেশ জনগণের প্রয়োজনে তাদের সাথে নিয়ে সময়ের প্রয়োজনে অবশ্যই হরতাল অবরোধ ডাকা হবে।
সাাৎকারটি গ্রহণ করেছেন: হারুন ইবনে শাহাদাত
সোনার বাংলা : দেশবাসী প্রতীক্ষায় ছিল ঈদের পর ১৮ দলীয় জোট বড় কোনো আন্দোলনের ডাক দেবে, কিন্তু তেমন কোনো লক্ষণ নেই। এমন কৌশল গ্রহণের কারণ কি?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : আমাদের দেশের মানুষ বড় কর্মসূচি বলতে সাধারণত হরতাল বা অবরোধকে বোঝে। এমন কর্মসূচি ঈদের পরে আসবে এ কথা তারা ভাবতেই পারে। কিন্তু ঈদের পর তো এখনো আসেনি। সামনে ঈদুল আজহা বা কুরবানীর ঈদ আছে। তাছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা আছে। এসব দিক বিবেচনা করে হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি। বিরোধী দলের কাজ হলো জনমত সৃষ্টি করা। এ ল্েয আমরা গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করছি। জনগণের সামনে সরকারের বিভিন্ন ব্যর্থতা তুলে ধরছি। হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি দেয়া হয়নি তার মানে এই নয় এমন কর্মসূচি দেয়া হবে না। দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে বড় কর্মসূচি দেয়া হবে।
সোনার বাংলা: ১৮ দলীয় জোটের গণসংযোগ কর্মসূচির লক্ষ্য কী?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। দেশ ও জনগণের উন্নয়ন নয় বর্তমান সরকার ব্যস্ত লুটপাটে। শেয়ারবাজার থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা লুট করে পঁয়ত্রিশ লাখ পরিবারের কয়েক কোটি মানুষকে নিঃস্ব করেছে। বিনিয়োগকারীরা বেঁচে থাকার শেষ সম্বল হারিয়ে পথে পথে ঘুরছে, কেউ কেউ আত্মহত্যা করেছে, অনেকে পাগল হয়ে গেছে। কিন্তু লুটেরারা সরকারের লোক হওয়ায় আছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। লুটের টাকা বিদেশে পাচার করছে না কি দেশে আছে দেশবাসী তাও জানে না।
আধুনিক অর্থব্যবস্থায় ব্যাংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাাক্টর। সরকারের লুটপাটে থেকে ব্যাংকও রেহাই পাচ্ছে না। বেআইনিভাবে ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। বিনিয়োগ পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। সরকারের ঘুষ-দুর্নীতির কারণে বিদেশী বিনিযোগ আসছে না। চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসের কারণে দেশের বিনিয়োগকারীরাও ভয়ে নতুন কোনো খাতে বিনিয়োগের সাহস পাচ্ছে না।
সরকার ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। কুইকরেন্টাল যে লুটপাটের প্রকল্প একথা অর্থমন্ত্রীও পরে উপলব্ধি করেছেন। তিনি বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে এ প্রকল্প নেয়া ঠিক হয়নি। এখন এ সব প্রকল্প আবার নবায়ন করছে। এর ফলে জনগণের আরো কোটি কোটি টাকা লুট হবে। কিন্তু বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কি কোনো উন্নতি হয়েছে?
সরকারের ব্যর্থতার কারণে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। হত্যা, সন্ত্রাস খুন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও সীমান্ত হত্যা বেড়েই চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। ব্যাপক দলীয়করণের কারণে দেশের প্রত্যেকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অশান্ত। সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডারদের সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, ভর্তিবাণিজ্য আর প্রশাসনের বিভিন্ন পদে বসা দলীয় লোকদের দুর্নীতির কারণে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দাবিতে যারা আন্দোলন করছে, সরকার তাদের সাথে চরম অমানবিক আচরণ করছে। পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে। সরকারের ব্যর্থতায় জনগণের কষ্ট দিন দিন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের এ গণসংযোগ কর্মসূচির লক্ষ্য তাদের কষ্ট লাঘব করতে তাদের পাশে দাঁড়ানো। জনগণের দাবি সরকারের কানে পৌঁছে দেয়া। জনগণ আ’লীগের দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে এই মেসেজ জানানো।
সোনার বাংলা : আপনারা কি সরকারের হামলা, মামলা, গ্রেফতার নির্যাতনের ভয়ে হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি না দেয়ার কৌশল গ্রহণ করেছেন?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : আওয়ামী লীগ একটি অসহিষ্ণু রাজনৈতিক দল। তারা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে এতটাই উৎসাহী যে, এজন্য সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রয়োজন নেই, তারা এমনিতেই মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার নির্যাতন করতে পারে। আমাদের চুয়াল্লিশজন নেতার বিরুদ্ধে হরতালে গাড়ি পোড়ানো এবং বোমা হামলা মামলা দিয়েছে। ১৮ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কি হরতালের সময় গাড়ি পুড়িয়েছে, বোমা মেরেছে? তাই এ কথা ভাবার কোনো কারণ নেই কারো ভয়ে আমরা হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি থেকে দূরে আছি। আমরা দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। সরকারের দুঃশাসনে তারা এমনিতেই কষ্টে আছে, এ কথা ভেবেই এই মুহূর্তে হরতাল অবরোধ ডাকা হচ্ছে না। দেশ জনগণের প্রয়োজনে তাদের সাথে নিয়ে সময়ের প্রয়োজনে অবশ্যই হরতাল অবরোধ ডাকা হবে।
সোনার বাংলা : আওয়ামী লীগ সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর এ দেশকে ধর্মনিপেক্ষতার নামে ধর্মহীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, সংবিধান থেকে মুসলিম দেশসমূহের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারা বাতিল করেছে, আপনারা সে সব বিষয় তুলে না ধরে কেন শুধু নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করছেন?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আ’লীগ সংবিধানের সংশোধনী এনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর এ দেশকে ধর্মনিপেক্ষতার নামে ধর্মহীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, সংবিধান থেকে মুসলিম দেশসমূহের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারা বাতিল করেছে। জাতীয় সংসদে আমাদের আসন সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ হলেই কেবল সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এসব ধারার পরিবর্তন সম্ভব। আর অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া তা সম্ভব নয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ)। এ জন্য প্রয়োজন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে দলমত নির্বিশেষে অধিকাংশ মানুষই একমত। এই দাবি আদায়ে সাধারণ জনগণ, ছাত্র-শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবাই গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে সম্পৃক্ত হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ১৮ দলীয় জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করলে সংসদের মাধ্যমেই উল্লিখিত সংশোধনী সম্ভব হবে।
সোনার বাংলা : সাংবিধানিক যেসব জটিলতার কারণে সংবিধান সংশোধন না করে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় সেই জটিলতাগুলো কী কী, একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : আমাদের দাবি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আওয়ামী লীগ বা বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানকে স্ব-স্ব পদে রেখে যে সরকারের কথা বলা হচ্ছে, তার মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) সৃষ্টি হবে না।
তাছাড়া, দেশের বর্তমান সংবিধানের ধারা ১২৩(৩) অনুসারে, সংসদের সময়সীমা শেষ হওয়ার তিন মাস আগে সংসদ নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের জোটভুক্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এ সত্য স্বীকার করছেন,সংসদ থাকা অবস্থায় নির্বাচন হলে বর্তমান সংসদ সদস্য ও এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ (সবার জন্য সুযোগ) থাকবে না। কারণ, নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্যদের অধিকার বা সুবিধা (প্রিভিলেজ) খর্ব করতে পারবে না। সংসদ সদস্যরা স্বাভাবিকভাবেই মানুষ ও প্রশাসনের কাছে অধিক গুরুত্ব পাবেন। নির্বাচনের সময় এই অসঙ্গতি দূর করার জন্য সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সংশোধন করতে হবে।
তিন শ’ আসনের অধিকাংশই বর্তমান সরকারি দলের। বিরোধী দলের আসনের সংখ্যা সে তুলনায় খুবই কম। নিরপে ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংবিধানে আবার ফিরিয়ে আনতেই হবে।
সোনার বাংলা : ১৮ দলীয় জোটের বড় দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠে নেই কেন?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : দু’টি ছাত্র সংগঠনই আলাদা আলাদাভাবে মাঠে আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এখন মাঠে নেই, তবে সময় আসলে অবশ্যই তারা একসাথে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করবে। যেহেতু দু’টি ছাত্র সংগঠন ইতঃপূর্বে বিভিন্ন শিাপ্রতিষ্ঠানে তাদের নিজস্ব গঠনতন্ত্র ও কর্মসূচির আলোকে পরিচালিত হয়েছে, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, সেই ধারাবাহিকতাতেই এখনো চলছে। তবে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বৃহত্তর প্রয়োজনে অবশ্যই তারা এবং জোটের অন্যান্য দলের ছাত্র সংগঠন ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে।
সোনার বাংলা : ছাত্ররা সমাজের সচেতন তরুণ অংশ। অতীতের কোনো আন্দোলনই তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া সফল হয়নি। চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের সাফল্য তরুণ, যুবক ও ছাত্রদের সংশ্লিষ্ট করা ছাড়া কি সম্ভব?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : শুধু ছাত্র বা তরুণ সমাজ নয় সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণ ছাড়া বড় কোনো দাবি আদায় হয় না। অবাধ সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের আন্দোলনে সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করছে ও করবে।
সোনার বাংলা : সঙ্ঘাত ছাড়া কি সঙ্কটের সমাধান সম্ভব?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : আমি আশাবাদী মানুষ। আমি বিশ্বাস করি, সরকার জনগণের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবে।
সোনার বাংলা : দেশবাসীর উদ্দেশে আপনার বক্তব্য কী?
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া : ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। তাই দেশের স্বার্থে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। আদর্শের রাজনীতির বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন ছাড়া আধুনিক বিশ্বের সাথে পাল্লা দেয়া সম্ভব নয়। তাই তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞানার্জন ও এর প্রসারে আমাদের সবার ভূমিকা প্রয়োজন। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকল সংকীর্ণতা ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আসুন ভোগ নয়, দেশ ও জনগণের জন্য ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে কাজ করি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে সুখী, সমৃদ্ধশালী ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনের পতাকা তলে সমবেত হই।
এ পাতার অন্যান্য খবর
- বিএনপি ও জামায়াতকে নির্বাচনের বাইরে রাখার আওয়ামী সরকারের গভীর ষড়যন্ত্র
- হাসিনা-খালেদা সংলাপ সমঝোতা অসম্ভব
- দেশ কোন পথে চলেছে?
- বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি
- বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে : ডা. শফিক
- মিসরে ৭০ জেনারেল বাধ্যতামূলক অবসরে
- ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর আপিলের সময় ৬০ এর পরিবর্তে ৩০ দিন করা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী
- সংবিধান থেকে কুরআনের আয়াত তুলে দিয়ে সরকার মুসলমানদের ঈমানের ওপর আঘাত করেছে : অধ্যাপক মুজিব
