সংবাদ শিরোনামঃ

বিএনপি ও জামায়াতকে নির্বাচনের বাইরে রাখার আওয়ামী সরকারের গভীর ষড়যন্ত্র ** হাসিনা-খালেদা সংলাপ সমঝোতা অসম্ভব ** দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে অবশ্যই হরতাল অবরোধের মতো কর্মসূচি আসবে ** দেশ কোন পথে চলেছে? ** দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে নারাজ জাপার একটি অংশ॥ আ’লীগে হতাশা ** সরকারের অন্যায় ও অগণতান্ত্রিক আচরণ সহ্য করা হবে না : শিবির সেক্রেটারি জেনারেল ** নির্বাচন হতে হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ** বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের সর্বাত্মক প্রস্তুতি ** শ্রেষ্ঠ ব্যাংকের মর্যাদা অুণœ রাখতে হলে মানব সম্পদকে আরও যোগ্যতর করে গড়ে তুলতে হবে : আবদুল মান্নান ** জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ মৌলিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ** কীর্তনখোলা নদীর আকস্মিক ভাঙনে চরকাউয়া ফেরিঘাটসহ বিলীন হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা **

ঢাকা শুক্রবার ২৩ ভাদ্র ১৪১৯, ১৯ শাওয়াল ১৪৩৩, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১২

॥প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ॥
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রাইনহোল্ড নাইবুরের (Reinhold Niebuhr) কথায়, ‘মানুষের ন্যায়ানুগ হবার সক্ষমতাই গণতন্ত্রকে সম্ভব করে তোলে, কিন্তু অন্যায়ের প্রতি প্রবণতার কারণে গণতন্ত্র এত প্রয়োজনীয়’ [Man’s capacity for justice makes democracy possible, but man’s inclination to injustice makes democracy necessary]। সম্ভবত গণতন্ত্রেই মানব প্রকৃতির উভয় দিক প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। আজকের বিশ্বে গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই, যদিও শাসনব্যবস্থা হিসেবে এইটিই সবচেয়ে জটিল এবং এর সঠিক বাস্তবায়নের জন্যে শুধুমাত্র নাগরিকদের নয়, রাজনীতিকদেরও গণতান্ত্রিক চেতনায় গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ হতে হবে, হতে হবে সুদৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের দুর্বলতা সুস্পষ্ট, কিন্তু রাজনীতিকদের মন এখনো গণতন্ত্রের জন্য তৈরি হয়েছে বলে মনে হয় না। তাদের ক্ষমতা প্রীতি এখনো সীমাহীন। হিংসা-প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ মনে গণতন্ত্রকে কার্যকর করার স্পৃহা এখনো তেমন শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে হয় না। রাজনীতিকদের অতীতমুখিনতা ভীষণ প্রকট। বর্তমান তাদের নিকট গৌণ। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আবার কোনো আগ্রহ দেখা যায় না। উত্তরাধিকার সূত্রে পৈতৃক সম্পত্তি পাওয়া নিশ্চিত জেনে কোনো অযোগ্য সন্তান যেমন শুধু অতীতেই বসবাস করে, বর্তমানকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যে চারপাশকে সৃজনশীলতার আলোকে আলোকিত করার কোনো প্রয়াস তাদের মধ্যে দেখা যায় না, তেমনি আমাদের রাজনীতিকদের মধ্যে এ সম্পর্কে কোনো আগ্রহ নেই। সমাজে গণতন্ত্রের দাবি কিন্তু বর্তমানকে আরো সৃষ্টিশীল করা যেন এই সমাজ ভবিষ্যতে আরো উজ্জ্বল ও মোহনীয় হয়ে ওঠে।

মাত্র  ক’দিন আগে বাংলাদেশের সংবিধানে যেসব সংশোধনী আনা হয়েছে সেদিকে দৃষ্টি দিন, দেখবেন আমাদের রাজনীতিকরা কত সংকীর্ণমনা, কত ক্ষমতাশ্রয়ী, কত অতীতমুখী। এর ফল কী হতে পারে সে সম্পর্কে কত উদাসীন। এটি স্মরণযোগ্য যে, কোনো রাষ্ট্রে সংবিধান কখনো চূড়ান্ত বা পরিপূর্ণ অবয়ব ধারণ করে না। It’s a process of growth; it grows on and on. পরিবর্তিত  বাস্তবতার নিরীখে সংবিধান পরিবর্তিত হয়। পার্থক্যের স্তর বিন্যস্ত পরম্পরায় (Continuum) সংবিধানের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত হতে পারে। কোনটি উত্তম ও মন্দ তা চিহ্নিত হয় না। এ কারণে কোনো রাষ্ট্রের সংবিধানের পর্যালোচনা সীমিত থাকে ঐ রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণের স্বার্থ এবং জাতীয় স্বার্থের সীমানার মধ্যেই। আর সংবিধান? সংবিধান তো দিকনির্দেশনামূলক মৌল নীতিমালা। সংবিধান রাষ্ট্র নয়, রাষ্ট্রের সৃষ্ট একগুচ্ছ নীতিমালা। সংবিধান রাষ্ট্র সৃষ্টি করে না। রাষ্ট্রই সংবিধানের জনক। আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রের মৌল ভিত্তি যে জনগণ তাদের অধিকার সংরক্ষণ, জাতীয় অগ্রগতির লক্ষে বিভিন্ন সরকার কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচির ধারাবাহিকতা অব্যাহতভাবে সমুচ্চারণ এইসব হলো সংবিধানের মূলকথা। এই সবই সংবিধানের মর্মবাণী। সংবিধানে পবিত্রতার (Sanctity) কোনো স্থান নেই। এটি ধর্মগ্রন্থের মত অলঙ্ঘনীয় কোনো বাণীর সংকলন নয়। কোনো সরকারও নিত্য, চিরস্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নয়। সরকার যেমন সমালোচনা ও পর্যালোচনার মুখ্য বিষয়বস্তু, সংবিধানও তেমনি সমালোচনা, আলোচনা-পর্যালোচনার বিষয়বস্তু। এই প্রসঙ্গে অধ্যাপক লাস্কির (Harold Laski) বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তার কথায়, ‘সরকার ব্যবস্থা এক জোড়া জুতার মতো। যে পায়ে লাগে শুধু তার জন্যই তা সুখকর’ [`A system of government is very much like a pair of shoes, it grows to the use of the feet to which it is fitted’]। সংবিধানের প্রকৃতিও তেমনি। অলঙ্ঘনীয় কোনো ধর্মবাণী নয়।

বাংলাদেশের সংবিধানে যেসব সংশোধনী আনা হয়েছে সেদিকে দৃষ্টি দিলে অনুধাবনে এতটুকু অসুবিধা হয় না যে, এর বেশির ভাগই সংযোজিত হয়েছে হয় অজ্ঞতার কারণে, না হয় দেশের বৃহত্তর জনসমষ্টিকে ভয় দেখিয়ে অনুগত রাখার জন্যে। দৃষ্টান্ত স্বরূপ, অনুচ্ছেদ ৭ক(খ) এ সংযোজিত হয়েছে, ‘এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।’ পৃথিবীর কোথাও কি এমন দৃষ্টান্ত মিলবে? এই বক্তব্য শুধু তাদের পক্ষেই দেয়া সম্ভব যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের আস্থা বা বিশ্বাসের উপর এতটুকু আস্থাশীল নন এবং যারা সকল প্রকার বিরোধিতাকে বিতর্ক না ভেবে ষড়যন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। এই মানসিকতা সুস্থ নয়। এই ভাবনা নয় অগ্রবর্তী। দৃষ্টি দিন ৭খ অনুচ্ছেদের উপর। লেখা হয়েছে, ‘সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদ সমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।’

আবারো বলছি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে, বিশ্বের কোনো সংবিধানে এমন ধরনের সংশোধনী আছে কি? না, হওয়া উচিত? যারা আজকে ক্ষমতাসীন তারা কি মনে করেন, বাংলাদেশে এটাই শেষ সরকার? এই সংসদই শেষ সংসদ? পরবর্তীকালে অন্য জাতীয় সংসদের মুখ বন্ধ করার অধিকার কীভাবে পেলেন বিদ্যমান সংসদের সদস্যগণ? যুগে যুগে প্রায় সকল সভ্য দেশে সরকার ব্যবস্থা নিয়ে হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিতর্কের ঝড় কেটে গেলে ঐসব জনপদে নেমে এসেছে প্রশান্তি। আর বিতর্ক তো জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও প্রয়োজন। বিতর্কে উত্তাপ থাকে, কিন্তু  থাকে কিছু আলোও। গত শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে আমেরিকার সংবিধানের মৌল বৈশিষ্ট্য বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ব্যবহারবিদগণ জড়িয়ে পড়েছিলেন এক জটিল তর্কে। এই প্রসঙ্গে লাস্কি ও ডন কে প্রাইসের (Price) আবেগ জড়ানো বক্তব্য রাষ্ট্র বিজ্ঞানের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। আমাদের সংবিধান সংশোধনকারীগণ বিশ্বের হাজার বছরে অর্জিত জ্ঞান ভাণ্ডার কিভাবে ধারণ করলেন? কিভাবে এমন চূড়ান্ত রায় দিয়ে দিলেন?

বাংলাদেশের রাজনীতি ক্ষেত্রটি এখন ভয়ঙ্কর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে সংবিধানের ২ক এবং ৫৮ক অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির পরে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১০ মে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেবার পরে তাও এই সংশোধনীতে বাতিল করা হয়। কিন্তু ঐ রায়ের আরো দু’টি অংশ ছিল। রায়ে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রের স্বার্থে প্রয়োজনবোধে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল রাখা যেতে পারে। তবে প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের কোনো বিচারপতিকে সংশ্লিষ্ট না করার বিধান করতে পারে জাতীয় সংসদ। সুপ্রিম কোর্টের ঐ রায়ের পূর্ণ বিবরণ এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু তড়িঘড়ি করে ঐ রায়ের পূর্ণ বিবরণ হাতে না পেয়েই একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থাকে নির্বাসন দেয়া হলো।

এ দেশের সবাই জানেন, এই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্টিকর্তা আজকের জাতীয় সংসদের নেতা। এ জন্যে এ দেশকে বহু মূল্য দিতে হয়েছে। ঐ আন্দোলনে নিহত হয়েছেন শতাধিক ব্যক্তি। আহত হন হাজার খানেক মানুষ। দেশের অর্থনীতি তখন ক্ষতবিক্ষত হয় আন্দোলন, অবরোধ, অসহযোগের ফলে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের অজুহাতে বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও, আজকের সংসদ নেতা অনির্বাচিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো বিকল্প সৃষ্টি না করে যেভাবে সংবিধান থেকে তা দূর করলেন, তা এ দেশে পরবর্তী নির্বাচন ক্ষেত্রে এক অশনি সংকেত রূপে আবির্ভূত হয়েছে। কোথায় গিয়ে যে আমরা ঠেকবো তা বলা সম্ভব নয়। এই ব্যবস্থা বাতিলের পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরম সন্তোষের সাথে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘জনগণের ক্ষমতা জনগণের নিকট ফিরিয়ে দিলাম’। অনেকেই বলেন, অনির্বাচিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধাযক সরকার বাতিল করলে কী হবে, এখনো দেশ শাসন করছেন নির্বাচিত মন্ত্রীদের পরিবর্তে অনির্বাচিত উপদেষ্টাবৃন্দ। নির্বাচিত মন্ত্রীদের সাথে বসেই অনির্বাচিত উপদেষ্টাগণ অংশগ্রহণ করেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রচনায়। মন্ত্রিপরিষদেও রয়েছেন অনির্বাচিত মন্ত্রী। এমন কি যিনি সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন তিনিও অনির্বাচিত। একটি দেশে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের যে সকল পূর্বশর্ত রয়েছে, যেমন একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন, নিরপেক্ষ ও মেধার ভিত্তিতে সুসংগঠিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা, কালো টাকার অনুপ্রবেশ ঠেকাতে একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন, সন্ত্রাস রোধে দেশে স্বাভাবিক আইন-শৃঙ্খলা পরিবেশ আর দেশের সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, হিংসা-প্রতিহিংসাবিহীন এক রাজনৈতিক আবহ বা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এগুলো কি দেশে বিদ্যমান রয়েছে? একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হবে? সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী দলীয় কোনো প্রার্থী বাছাই করে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ দানের মাধ্যমে কি? অন্যান্য সাংবিধানিক সংস্থার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনবেন কিভাবে? এসব বিষয়ে সংবিধান সংশোধনকারীরা কোনো সুপারিশ রাখলেও তো একটা কাজের  মতো কাজ হতো! অন্য দিকে না তাকিয়ে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক যে জনগণ তাদের মতামত নিয়েও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া যেত।  বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মত শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কি জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে? পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে যে নির্বাচন হয়ে গেল এর পূর্বের নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে, সেদিকে দৃষ্টি দিলেই বোঝা যায় কত অসার এই যুক্তি। ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচনে নিহত হয়েছেন ৭০ জন। আহতদের সংখ্যা প্রায় আট হাজার। এজন্যে দায়ী নির্বাচন কমিশনের সঠিক অভিভাবকত্ব ও যথার্থ নজরদারির অভাব আর আইন-শৃঙ্খলা  বাহিনীর নিষ্ক্রিয় ভূমিকা, কোটি কোটি কালো টাকার প্রয়োগ, দুর্নীতি দমন কমিশনের অক্ষমতা এবং দলীয় অনুগতদের দ্বারা সংঘটিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা। আগামী জাতীয় সংসদের নির্বাচন এমন হলে বিরোধী দলসমূহ অংশগ্রহণ করবেন কেন? আর তাদের বাদ দিয়ে নির্বাচন করলে কী ঘটতে পারে তাও তো এ দেশের ইতিহাসেই রয়েছে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পূর্বে কোনো নির্বাচিত সংসদ তাদের কার্যকাল পূর্ণ করেনি। তেমনি পরিস্থিতি কি চান ক্ষমতাসীন সরকার?

রাজনীতির জন্ম হয়েছে সমাজ জীবনের সমস্যা সমাধানের জন্যে, নতুন নতুন সমস্যা তৈরির জন্যে নয়। যারা সমস্যা তৈরি করে জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে জনগণ সাধারণত তাদের ক্ষমা করে না। এটিও স্মর্তব্য।

লেখক : সাবেক ভিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

সম্পাদকঃ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com