তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিতে
আগাম নির্বাচনের ষড়যন্ত্র
জাপার সঙ্গে গোপন আঁতাত : মহাজোটে বিরোধ
॥ মুনতাসির রহমান॥
রাষ্ট্র পরিচালনায় চরম ব্যর্থতার অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট খুব শিগগিরই ভেঙে যাচ্ছে। ১৪ দলের শীর্ষপর্যায়ের একাধিক নেতা এমন আভাস দিয়েছেন। তারা আরো আভাস দিয়েছেন শাসক দলের ভেতরের একটি অংশ আগাম নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে। আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলে নির্বাচন করার টার্গেট নিয়ে সামনে এগুচ্ছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জেনারেল এরশাদের সঙ্গে গোপন এই ষড়যন্ত্র হয়েছে। যে কারণে তিনি অতি দ্রুত দলের প্রার্থী বাছাই এবং কোনো কোনো আসনে প্রার্থী মনোনয়নের ঘোষণাও দিচ্ছেন। সমঝোতার ভিত্তিতে মহাজোট থেকে বেরিয়ে গিয়ে তিনি এককভাবে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সামনে এগুচ্ছেন। আগাম নির্বাচনের এই গোপন ষড়যন্ত্র ফাঁস হওয়ার পর মহাজোটে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন জনগণের কল্যাণ, গণতন্ত্রের স্বার্থে বা কোনো সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার আগাম নির্বাচনের কথা ভাবছে না। মহাজোট সরকারের উদ্দেশ্য অন্য কিছু, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে যেনতেনভাবে একটি নির্বাচন দিয়ে বাকা পথে ফের ক্ষমতায় আসা। সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল জানিয়েছে, সরকার যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কেয়ারটেকার সরকার বাতিল করেছে ঠিক সে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে আগাম নির্বাচন দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
এদিকে সরকারের ব্যর্থতার পাশাপাশি আগাম নির্বাচন করার পরিকল্পনা ফাঁস হওয়ার পর ১৪ দলের অধিকাংশ শরিক দল জোট ভেঙে আলাদা প্লাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই ১৪ দলের ৫টি দল, পঙ্কজ ভট্টাচার্যের গণঐক্য এবং পার্বত্য অঞ্চলের আলোচিত নেতা সন্তু লারমার জনসংহতি পরিষদ মিলে ৭টি দল ও সংগঠনের সমন্বয়ে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়েছে। ১৪ দলের ৫টি দল হলো রাশেদ খান মেননের ওয়ার্কার্স পার্টি, অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), গণতন্ত্রী পার্টি, গণআজাদী লীগ ও কমিউনিস্ট কেন্দ্র। ৭ দলের পক্ষ থেকে আন্দোলনের ১২ দফা কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে নতুন করে আন্দোলন গড়ে তুলবে। জানা গেছে, এই জোটের পাল্লা ভারী করতে সিপিবি গণফোরাম, বাসদসহ বামধারার আরো কয়েকটি দল জোটে যোগ দেবে। জোটের মূল নেতা থাকবেন রাশেদ খান মেনন।
সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সম্প্রসারণ ও বড় ধরনের রদবদল করেও সরকারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসেনি। প্রধানমন্ত্রীর যোগ-বিয়োগে বেমিল দেখা দিয়েছে। তিনি ভেবেছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সম্প্রসারণ করলে সরকার ও দল দুই জায়গা চাঙ্গা হবে। কিন্তু ফলাফল হয়েছে উল্টোটা। সম্প্রসারিত মন্ত্রিপরিষদে যাদের নেয়া হয়েছে তাদের মধ্য অনেকে বিতর্কিত। যোগ্য ও সিনিয়র নেতাদের বাদ দেয়ায় দলের মধ্যে আরো বিরোধ দ্বন্দ্ব বেড়ে গেছে। ঠিক একইভাবে ১৪ দলের মধ্যেই বড় ধরনের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কমিউনিস্ট কেন্দ্রের এক নেতা এ প্রতিনিধিকে বলেন, ১৪ দলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ অনেক দিন ধরে আছে। সরকার গঠনের পর থেকে আওয়ামী লীগ আমাদের কোনো পাত্তা দিচ্ছে না। আমাদের প্রস্তাব ছিল ১৪ দল থেকে অন্তত ৩ জনকে মন্ত্রিপরিষদে নেয়া হোক। আমাদের প্রস্তাবে দিলীপ বড়–য়ার নাম ছিল না। অথচ প্রধানমন্ত্রী আমাদের প্রস্তাবকে অগ্রাহ্য করলেন। সরকারের শেষ সময় এসে রাশেদ খান মেননকে মন্ত্রিত্ব দিতে চাইলেন। মেনন তা প্রত্যাখ্যান করায় ১৪ দলের মধ্যকার পরিবেশ পরিস্থিতি বদলে গেছে।
ভেঙে যাচ্ছে মহাজোট
সরকারের শেষ মুহূর্তে এসে মহাজোটে এখন মহাজট লেগে গেছে। মহাজট মহাজোটকে ভাঙনের মুখে ঠেলে দিয়েছে। জেনারেল এরশাদের জাতীয় পার্টিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট গঠিত হয়। মহাজোটের মধ্যে আবার ১৪ দল রয়েছে। অবাক হওয়ার ঘটনা হলো ১৪ দলের নেতারা জাতীয় পার্টিকে নিয়ে মহাজোট স্বীকার করেন না। তারা বলেন ১৪ দলের সরকার। অথচ ক্ষমতায় মহাজোট সরকার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত চার বছরে মহাজোটের শরিক দলগুলোকে নিয়ে একটি বৈঠকও হয়নি। তবে এ পর্যন্ত ১৪ দলের পাঁচটি কেন্দ্রীয় বৈঠক হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মাত্র একটি বৈঠক হয়। তাও অগুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূরুর রহমান সেলিম বলেন, আমরা বর্তমান সরকারকে মহাজোট সরকার বলি না। এটা ১৪ দলীয় জোটের সরকার। তিনি আরো বলেন, আমরা জোটে আছি তবে সরকারের ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব নেবো না। ঠিক একই ধরনের কথা বললেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারাও। তারা বলেন, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো বিষয়ের সমাধান করতে পারেনি, দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনায় দেশ ছেয়ে গেছে। এর ভাগিদার আমরা হতে চাই না। এ জন্য রাশেদ খান মেনন মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৪ দলের একজন বামপন্থী নেতা জানান, আওয়ামী লীগ বাদে ১৪ দলের আছে মাত্র ৮টি দল। দলগুলো হলো ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ (ইনু), গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, গণআজাদী লীগ, কমিউনিস্ট কেন্দ্র ও মজদুর পার্টি। এর মধ্যে ৫টি দল ইতোমধ্যে আলাদাভাবে ৭ দলীয় জোট গঠন করেছে। এটা ভাঙনের প্রাথমিক আলামত বলা যায়। তিনি বলেন, জাসদ ও সাম্যবাদী দল শেষ পর্যন্ত হয়তো আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকে যেতে পারে। কিন্তু বাদবাকি দলগুলো বৃহৎ বাম বিকল্প মোর্চা বা জোটে চলে যাবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক সমমনা দলের সমন্বয়ে বাম বিকল্প মোর্চা গঠন করা হবে। সম্ভবত রাশেদ খান মেনন এখানে মূল নেতা থাকবেন। চলতি বছর ডিসেম্বর নাগাদ জোটটি হলে ১৪ দল আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যাবে। ১৪ দল ভেঙে যাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে জোটের অধিকাংশ নেতা বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি, শেয়ারবাজার ও হলমার্ক কেলেঙ্কারি, মন্ত্রী উপদেষ্টাদের লাগামহীন দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ঘন ঘন বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, সরকারের জন্য দুর্নাম। মন্ত্রিপরিষদ থেকে অযোগ্য মন্ত্রীদের সরিয়ে দেয়ার দাবি আমরা জানিয়েছি। কিন্তু সরকারের উচ্চমহল তা শোনেনি। কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অথচ সরকার তা বাতিল করে দিয়েছে। এখন আবার আগাম নির্বাচনের কথা শোনা যাচ্ছে। আসলে সরকারের ব্যর্থতা এমনপর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোনো কূটকৌশল অবলম্বন ছাড়া আগামীতে ক্ষমতায় যাওয়া আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন হবে। এই কঠিন পথে এগুলে দেশে ফের বড় ধরনের সংঘাত বাধবে। ১৪ দল এই সংঘাতে যাবে না যে জন্য জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া সামনে কোনো বিকল্প রাস্তা খোলা নেই।
আগাম নির্বাচনের ষড়যন্ত্র
জনগণের কল্যাণ, গণতন্ত্রের স্বার্থ বা কোনো সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার আগাম নির্বাচনের কথা ভাবছে না। সরকারের উদ্দেশ্য অন্য কিছু, তা হলো যেনতেনভাবে একটি নির্বাচন দিয়ে ফের ক্ষমতায় আসা। সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মহল জানিয়েছে, সরকার যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কেয়ারটেকার সরকার বাতিল করেছে ঠিক সে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে আগাম নির্বাচন দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে। সরকারের হিসাব হলো বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট এখন অগোছালো। বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে যে আন্দোলন করছে তা থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরানোর লক্ষ্যেই আগাম নির্বাচন দেয়ার একটা নয়া ইস্যু সামনে এনেছে। অপর দিকে জোটের প্রধান দল বিএনপির মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেই। বেগম জিয়ার দুই পুত্র তারেক ও আরাফাত রহমান বিদেশে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা তাতে দেশে ফিরলে গ্রেফতার হবেন। তারেকের অনুপস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে গেছে। অন্য দিকে জোটের অন্যতম শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর তো শীর্ষপর্যায়ের অধিকাংশ নেতা কারাগারে। সারা দেশের অসংখ্য নেতাকর্মীকে জেলে ঢোকানো হয়েছে। এ অবস্থায় আগাম নির্বাচন দিলে ১৮ দলীয় জোট সুবিধা করতে পারবে না। তা ছাড়া নির্বাচন তো বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় রাষ্ট্রপতির অধীনেই হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বারবার বলেছেন।
আওয়ামী লীগের সূত্রসমূহ জানিয়েছে, নির্বাচন করার মতো সকল প্রস্তুতি রয়েছে। কোন আসনে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে তালিকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে আছে। তবে আগাম নির্বাচন করার ব্যাপারে দলের সিনিয়র নেতারা একমত নন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশ করতে চান না দলের একজন উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এ প্রতিনিধিকে জানান, দেশে আগাম নির্বাচনের প্রশ্ন ওঠে বিরোধী দলের দাবির প্রেক্ষিতে। তাছাড়া বিরোধী আন্দোলন যখন বেসামালপর্যায়ে চলে যায় তখন সরকার বাধ্য হয়ে আগাম নির্বাচন দেয়। কিন্তু বিরোধী দল থেকে আগাম নির্বাচনের কোনো আওয়াজ ওঠেনি। তারা সরকারের পদত্যাগ চাইলেও আগাম নির্বাচনের কথা বলছে না। সুতরাং এমন সিদ্ধান্ত নেয়া সঠিক হবে না। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মাথা থেকে আগাম নির্বাচনের পরামর্শ এসেছে। যেখানে কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তা নিয়ে বাগি¦তণ্ডা চলছে সেখানে আগাম নির্বাচনের আওয়াজ তুললে পরিস্থিতি আরো প্রতিকূলে চলে যাবে। এমনিতে সরকারের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায় নেমে গেছে। সরকারের উপর দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। তখন উচিত জনগণের আস্থা অর্জন করা। সুপ্রিম কোর্টের আওয়ামীপন্থী আইনজীবী ফরিদুল আলম তালুকদার বলেন, আগাম নির্বাচন হতে পারে, তবে দেশে এমন কোনো পরিস্থিতি বিরাজমান নয় যাতে আগাম নির্বাচন দিতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, তোফায়েল আহমেদ ও আমীর হোসেন আমুসহ দলের কোনো সিনিয়র নেতা এতে রাজি নন। এমনকি মন্ত্রিপরিষদের অর্ধেক সদস্য আগাম নির্বাচনে রাজি নন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ একটি বিশেষ মহল থেকে এমন কথা বলা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে জেনারেল এরশাদের হাত রয়েছে। তিনি এ বিষয়ে সরকারের উচ্চমহলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে মহাজোট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা। সূত্র জানায়, এরশাদ যখন দিল্লি সফরে যান তখন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আগাম নির্বাচনের ফর্মুলা দেয়। সে খবর সরকারের উচ্চমহলও জানে। এরশাদের সঙ্গে এমন গোপন আঁতাতের খবর রাশেদ খান মেনন জেনে গেছেন। আর এ জন্য ১৪ দলের নেতারা আওয়ামী লীগের উপর ুব্ধ হয়ে জোট ভেঙে চলে যাবে। কারণ সাবেক পতিত স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদকে ১৪ দলের নেতারা কোনোভাবে মেনে নিতে রাজি নন। আর এ জন্য তারা আগেভাগে ৭ দলীয় একটি জোট গঠন করেছেন। তারা জানান, এমনিতে কেয়ারটেকার বাতিল করায় বিরোধী দলসহ দেশের সাধারণ জনগণ ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ুব্ধ। এরপর আগাম নির্বাচন করে বাঁকা পথে ক্ষমতায় যেতে চাইলে সারা দেশে আগুন জ্বলে উঠতে পারে। আন্দোলন বিদ্রোহ বেসামালপর্যায়ে চলে গেলে কোনো তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় চলে আসতে পারে। সুতরাং ১৪ দল সরকারের কূটকৌশলের ফাঁদে পা বাড়াবে না।
