সংলাপের নামে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে
নির্বাচন হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনেই
আন্দোলন ছাড়া বিরোধীদলের সামনে অন্য কোনো পথ খোলা নেই
॥ জামশেদ মেহদী ॥
দেশের জনগণ যখন তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে তখন গণবিরোধী স্বৈরশাসকরা সেই অধিকার আদায়ের চেতনা অথবা আন্দোলনকে ছলে বলে কৌশলে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য গণতান্ত্রিক রাজনীতির সুযোগ সুবিধার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করে। কিন্তু ক্ষমতায় গেলেই তারা আপন চেহারায় আবির্ভূত হয়। এই চেহারা হলো স্বৈরশাসক বা স্বেচ্ছাচারী শাসক। জনগণের কাছে গণতন্ত্র, বাক ও সমাবেশের স্বাধীনতার কথা বললেও ক্ষমতায় যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ সর্বাগ্রে জনগণের এইসব স্বাধীনতা এবং অধিকার হরণ করে। ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েম করে আওয়ামী লীগ সেই সময় দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে মহা স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাদের দলীয় শ্বেত সন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কারণে অনেক মানুষ ভয়ে ত্রাসে মুখ বন্ধ করে ছিলেন। কিন্তু এবার আওয়ামী শাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষার্ধে এসে সরকার দেখছেন যে, শাসন এবং শোষণের বাধন আর বেশি শক্ত করা যাবে না। গত চার বছর ধরে তারা প্রচণ্ড দমননীতি চালিয়ে দলীয় শাসন জারী রেখেছিলেন। এখনো সেটিই জারী রয়েছে। তাদের অপশাসনের প্রথম ৩ বছর জনগণ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননি। কিন্তু দেওয়ালে পিঠ ঠেকলে যা হয়, জনগণের অবস্থা হয়েছে অনেকটা সেরকম। ভয়ডর কাটিয়ে তারা কথা বলতে শুরু করেছেন। গত ডিসেম্বর মাসে হরতাল ও অবরোধের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ এ সরকারের প্রতি অনাস্থা ঘোষণা করেছেন। তাই আওয়ামী সরকার এবার সাময়িকভাবে হলেও তাদের স্ট্র্যাটেজি চেঞ্জ করেছে। এই মুহূর্তে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নির্দলীয় সরকার সম্পর্কিত দাবি সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে জনগণকে আওয়ামী লীগ নেতারা বিভ্রান্ত করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। গণ চেতনা দেখে তারা অত্যন্ত সাময়িকভাবে দমননীতি পরিহার করে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য মনগড়া কথাবার্তা বলে। আওয়ামী লীগের তরফ থেকে এই কাজটিই করেছেন দলের পুনর্নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
নেপথ্য সংলাপের অপপ্রচার
সদ্য বিদায়ী বছরের একেবারে সর্বশেষ দিনে অর্থাৎ গত ৩১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন যে, বিরোধী দলের সাথে যে আলোচনা চলছে না, তা কিন্তু নয়। তার মতে আলোচনা রাজনীতির একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি রাজনৈতিক দলের সাথে আরেকটি রাজনৈতিক দলের সব সময় কথা হয়। বিরোধী দলের সাথে শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে বসা হয়নি। সরকারি দল আশা করছে বিরোধী দলের নিকট থেকে তারা অচিরেই সাড়া পাবেন। এবং সাড়া পেলেই আলোচনায় বসবেন। বলাবাহুল্য, আওয়ামী লীগ মহাসচিবের এই কথাটি সাধারণ মানুষের মনে এবং জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী ঘরানার মানুষের মনে বিরাট প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। কারণ যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ইস্যু নিয়ে সারা দেশে চলছে তোলপাড়, সেই ইস্যুতে পর্দার অন্তরালে বা তলে তলে আলোচনা চলছে, তেমন একটি খবরে জাতীয়তাবাদী ঘরানার সমর্থকরা হোঁচট খেতেই পারেন এবং তারা হোঁচট খেয়েছেনও। কিসের ভিত্তিতে এই ধরনের আলোচনা হচ্ছে বা হবে, এই ধরনের এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে আলোচনার জন্য সংসদে দাঁড়িয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছেন এর চেয়ে বড়ো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আর হতে পারে না।’ উল্লেখ করা যেতে পারে যে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে, ‘সংবিধানে যে অন্তর্বর্তী সরকারের কথা বলা আছে তার অধীনেই নির্বাচন হবে। তবে বিএনপি ইচ্ছা করলে সেই সরকারে যোগ দিতে পারে।’
সৈয়দ আশরাফের এই উক্তির ত্বড়িৎ প্রতিক্রিয়া হয়েছে। সেই প্রতিক্রিয়াটি শুধুমাত্র বিরোধী দলের মধ্যেই হয়নাই। তার নিজের দলের মধ্যেও হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা এবং সাবেক ছাত্র নেতা তোফায়েল আহমদ এ সম্পর্কে গত ১ জানুয়ারি মঙ্গলবার প্রাইভেট টিভি চ্যানেল ‘এনটিভিকে’ বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রশ্ন তোলার বা পুনরুজ্জীবনের কোনো সুযোগ এখন আর নাই। সংবিধানের ১৫ নং সংশোধনীর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনার আর কোনো সুযোগ নাই। এছাড়া কৌশলগত কারণেও আওয়ামী লীগ বিরোধী দলের এই দাবি মেনে নিতে পারে না। তাদের দাবি যদি মেনে নেওয়া হয় তাহলে বিরোধী দল বলবে যে, সরকার তাদের কাছে পরাস্ত হয়েছে এবং তারা জয় লাভ করেছে। একটি পরীক্ষিত দল হিসেবে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলকে আত্মপ্রসাদ লাভ করার সুযোগ দিতে পারেন না।
বেগম জিয়ার তাৎক্ষণিক
প্রতিবাদ
‘তলে তলে’ আলোচনা চলছে বলে রাজনীতির অঙ্গনে আওয়ামী লীগ ধূম্রজাল সৃষ্টির যে অপচেষ্টা করেছিল সেই অপচেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে বানচাল করে দিয়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বিএনপির সমন্বয়ক জনাব তরিকুল ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্যই আলোচনা বা সংলাপের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, যদি কোনো আলোচনা চলে তাহলে স্ট্যান্ডিং কমিটির মেম্বার হিসেবে তিনি সেটা জানবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি এ সম্পর্কে কিছুই জানেননা। এর একদিন আগে বিএনপির অপর নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন যে, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে সেটা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের প্রধান কে হবেন, সেই বিষয়টি আলোচনা করার জন্যই বসবেন। তার মতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে বিএনপির যোগদানের কোনো প্রশ্নই উঠেনা। এমনকি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে মন্ত্রিসভার অবশিষ্ট সকল সদস্যও যদি বিএনপি থেকে নেওয়া হয় তাহলেও বিএনপি ঐ অন্তর্বর্তী সরকারের যাবে না। সব কথার শেষ কথা হলো দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। গত মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একটি পুনর্মিলনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বেগম জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অতীতে কোনোদিন হয়নি, ভবিষ্যতেও কোনোদিন হবে না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আর কোনো কিছু বিএনপির নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। নির্দলীয় সরকার ছাড়া অন্য কোনো সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। আর সরকার যদি জোর করে নির্বাচন করতে চায় তাহলে সেটি প্রতিহত করা হবে। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, ‘তলে তলে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং হবে না। আলোচনা যদি করতেই হয় তাহলে সেটা হতে হবে প্রকাশ্যে। তিনি বলেন, তলে তলে যেটা হচ্ছে, সেটা হলো ষড়যন্ত্র।’
আন্দোলন সম্পর্কে বিএনপির
বিরুদ্ধে সূক্ষ্ম প্রচারণা
যে কোনো চক্ষুষ্মান ব্যক্তি দেখছেন যে, বিএনপি তথা বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা হু হু করে বাড়ছে। আর তার বিপরীতে শেখ হাসিনা তথা তার সরকারের জনপ্রিয়তা দ্রুত তলানির দিকে যাচ্ছে। তাই এক শ্রেণীর পত্রপত্রিকা বিএনপির তথা ১৮ দলের বিরুদ্ধে সূক্ষ্ম প্রচারণা চালাচ্ছে। গত মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে বলা হয়েছে যে, সরকারের তরফ থেকে কোনো বাধার সৃষ্টি করা না হলে কয়েকদিনের হরতালের চেয়ে নাগরিকদের মনে নাড়া দেওয়ার জন্য জন সম্পৃক্ত একটি কর্মসূচি অনেক বেশি কার্যকর। বিএনপির একজন সিনিয়র নেতাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে যে, জনদুর্ভোগ কম হয়, আগামীতে তেমন কর্মসূচি দেওয়া হবে। বিএনপির ‘সূত্র সমূহের’ বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, রাজপথে কঠিন কর্মসূচির ব্যাপারে বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্ব সজাগ রয়েছেন। কারণ এ ধরনের কর্মসূচির সুযোগে ঘোলাটে পরিস্থিতির সৃষ্টি করে কোনো কোনো অগণতান্ত্রিক শক্তি সুযোগ গ্রহণ করতে পারে, এটি বিএনপি নেতাদের আশঙ্কা। অপর একজন স্ট্যান্ডিং কমিটি মেম্বারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘মাঠ খালি থাকলে তৃতীয় চতুর্থ বা নানান শক্তি সুযোগ নিতে পারে। এবার তারা পাহারায় আছেন।’
বাজারে এই মর্মে গুঞ্জন রয়েছে যে, আগামী জুন মাস পর্যন্ত বিএনপি রাজপথ কাঁপানোর মতো কোনো কর্মসূচিতে যাবে না। জুন মাসের পরেও যদি আওয়ামী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে বিল পাসের ব্যবস্থা না করে তাহলে জুনের পর বিএনপি কঠোর কর্মসূচিতে যাবে। জাতীয় দৈনিকের আলোচ্য রিপোর্টটিও সূক্ষ্মভাবে বলতে চাচ্ছে যে, বিএনপি রাজপথের আন্দোলনের ব্যাপারে খুব উৎসাহী নয়।
আন্দোলন ছাড়া বিএনপির সামনে
আর কোনো পথ খোলা নেই
নিন্দুকেরা যাই বলুক না কেন, বাস্তব অবস্থা কিন্তু এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আগামী দিনে রাজপথ প্রকম্পিত করার আন্দোলন ছাড়া বিএনপির সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তারপরেও একটু পেছনে তাকালে দেখা যাবে যে, সংবিধান সংশোধন করার জন্য সরকার যে স্ট্যান্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন বেগম সাজেদা চৌধুরী ও সুরঞ্জিত বাবুর সেই কমিটিতে আওয়ামী লীগও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল রাখার পক্ষে বক্তব্য রেখেছিল। এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে বলেছেন, দেশের প্রায় সমস্ত বুদ্ধিজীবী তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে বলেছেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবাউট টার্ন করেন। তিনি খায়রুল হকের রায়কে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করে সংবিধানের ১৩ নং সংশোধনী, অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেন। ১৯৭৫ সালে বাকশাল বিল যেমন তাড়াহুড়ো করে পাস করা হয়েছিল এবারও পঞ্চদশ সংশোধনী অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল বিল তেমনি তাড়াহুড়ো করে পাস করা হয়।
শেখ হাসিনার তার নিজস্ব সূত্রের মাধ্যমে এবং বিদেশী বন্ধুদের মাধ্যমে খবর পান যে, তার জনপ্রিয়তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তিনি এবং তার দল শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হবেন। সে জন্যই খায়রুল হকের রায়ে আগামী দুইটি মেয়াদে তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের কথা বলা থাকলেও সরকার সেটি আমলে না নিয়ে ঐ রায়ের প্রথম অংশকে ব্যবহার করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে। এখন আর তার পক্ষে বাস্তব ও কৌশলগত কারণে তত্ত্বাবধায়কে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। তোফায়েল আহমেদ একজন ঝানু পলিটিশিয়ান বলেই স্পষ্ট বলেছেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে We can’t concede defeat to BNP. এটিই হলো আসল কথা।
এই পটভূমিতে বিএনপিকে যদি কোনো সংলাপে যেতে হয় তাহলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের পুনর্বহাল ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা কায়েমের জন্য সংলাপে যাওয়ার কোনো পথ খোলা নাই বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলী খান নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য চার ধরনের ফর্মুলা দিয়েছিলেন, যার সেন্ট্রাল থিম ছিল নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার।
আওয়ামী সরকার সহজ পথ চেনে না। সহজ পথ জানেও না। চিনবে না জানবে কী করে? তাদের ঘাড়ে তো বসে আছে বাম নামে কট্টর সেক্যুলাররা। তারা সব সময় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে। এখন তো তারাই আবার ক্ষমতায়। বাকশাল আমলে ক্ষমতায় এই বামরা ছিল থিউরিটিক্যালী। এখন তো তারা আছে প্রাকটিক্যালী। ক্ষমতার সকল কলকাঠি তারাই নাড়াচ্ছে। এই নাড়া-নাড়ির তো শেষ আছে। আওয়ামী লীগ যখন বুঝবে তাদের বারটা বাজিয়ে ছেড়েছে তথাকথিত সেক্যুলাররা। তখন তাদের অবশ্যই বোধোদয় হবে এবং নির্মমভাবে উপলব্ধি করবে যে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন না দেওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। তখনই তারা গোঁফ নামাতে বাধ্য হবে এবং সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। যদি ইতোমধ্যে খোদা না করুন, দেশী-বিদেশী চক্রান্তে জরুরি অবস্থাসহ অন্য কিছু না হয়ে যায়! ততদিনে হয়তো অনেক রক্ত ঝড়বে। বিরোধী দলগুলোকে হয়তো অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
jamshedmehdi15@gmail.com
