ঢাকা, শুক্রবার, ২১ পৌষ ১৪১৯, ২১ সফর ১৪৩৪, ৪ জানুয়ারি ২০১৩

দুঃশাসনের চার বছর

কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না

॥ হারুন ইবনে শাহাদাত॥
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোটের দুঃশাসনের চার বছর শেষ হলো। ১৪ দলীয় জোট ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন, তিনি সংখ্যার ভিত্তিতে বিরোধীদলকে মূল্যায়ন করবেন না। দেশ পরিচালনায় সরকার ও বিরোধীদলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার প্রতিশ্র“তিও তিনি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তার কথা রাখতে পারেননি। সরকারি দলের ব্র“ট মেজরিটির দাপটে বিরোধীদল সংসদে টিকতে পারেনি। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর  শেখ হাসিনা সেদিন বেশ উদারচিত্তে বলেছিলেন, ‘বিরোধী দলকে আমরা সংখ্যা দিয়ে বিচার করব না। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলও রাষ্ট্র পরিচালনার অংশীদার।’ এর তিন দিন পর, ৩ জানুয়ারি, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া ও সংসদ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর সেদিনই সাংবাদিকদের তিনি আবারো বলেন, ‘বিরোধী দল যত ছোটই হোক, সংসদে তাদের গুরুত্ব অনেক বেশি। সংসদে তাদের একটা অবস্থান থাকবে।’ কিন্তু জাতীয় সংসদে বসার আসন ঠিক করার সময় দেখা গেল আওয়ামী লীগ ‘সংখ্যা’ ও ‘অনুপাত’ হিসাব করছে। স্পিকারের বাম পাশে সামনের সারিতে বিরোধী দলের আসন কমিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে তারা ওয়াকআউট করে। শেখ হাসিনা সংসদেই এ সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, গত সংসদে আওয়ামী লীগের ৬২ জন সদস্য ছিলেন। তখন শুরুর দিকে সামনের সারিতে তাদের ৬টি আসন দেয়া হয়েছিল তবে পরে একটি বাড়িয়ে দেয়া হয়। এবার বিএনপির আছে ২৮ জন সংসদ সদস্য, আর তাদের জোটের ৩১টি। তাদেরকে ৪টি আসন দেয়া হয়েছে সামনের সারিতে। তবুও তারা কেন ওয়াকআউট করল বোঝা গেল না। এ বক্তব্যে শেখ হাসিনা নিজেকে নিয়ে গেলেন সংখ্যাতত্ত্বে। আর মাত্র ২৫ দিন আগের তাঁর সেই যে মন্তব্য, ‘বিরোধী দলকে আমরা সংখ্যা দিয়ে বিচার করবো না’ তা বেমালুম ভুলে গেলেন।

কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না

রাজনৈতিক গুণগত পরিবর্তন সম্পর্কে বলার আগে বলতে হয়, ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না’-  প্রতিষ্ঠার পর থেকেই যারা ফ্যাসিবাদী, কি করে তারা গণতান্ত্রিক আচরণ করবে? আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী কর্মীদের হাতে দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকেও লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। মহান জাতীয় সংসদের স্পিকার শাহেদ আলীকে হত্যা করেছে অধিবেশন চলাকালে। বাম রাজনৈতিক নেতা সিরাজ শিকদারকে বিনা বিচারে গুলী করে হত্যা করে মতার দাপটে সদ্য স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা কেরেছেন, ‘কোথায় সিরাজ শিকদার?’ মতা দখলের প্রোপট তৈরি করতে ২০০৬ সালের রাজধানীর পল্টনে প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে শুধু ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসের কারণে ৬ জন তাজা তরুণকে হত্যা করে লাশের ওপর নেচেছে আওয়ামী লীগ ও তার জোটের সন্ত্রাসীরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুণগত পরির্বতনের ঘোষণা যে, বাস্তবায়িত হয়নি তা জীবন দিয়ে প্রমাণ করলো বিশ্বজিৎ দাস, ওয়ারেছ আলী ও মুজাহিদরা। পত্রপত্রিকার হিসাবে জানা যায়, আওয়ামী লীগের চার বছরে ১৬ হাজার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৮ শ’রও বেশি মানুষ।

নিজ দলের অপরাধীদের মা করার খারাপ নজির সৃষ্টিতেও দলটি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। ১৫ নভেম্বর ২০১২ কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বর্তমান সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশি আসামি রাষ্ট্রপতির মায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে রা পেয়েছেন। সরকারের চার বছরে ২১ জন রাষ্ট্রপতির মা পেয়েছেন। এর মধ্যে ২০১০ সালেই মা পেয়েছেন ১৮ জন ফাঁসির আসামি। ২০০৯ সালে একজন এবং ২০১১ সালে দুজন ফাঁসির আসামি রাষ্ট্রপতির মা পান। এ ছাড়া ১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারের সময়ে মাত্র চারজন ফাঁসির আসামি রাষ্ট্রপতির মা পান। গত ( ১৪ নভেম্বর ২০১২) বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ফজলুল আজিমের এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এ তথ্য জানান। ‘১৯৭২-২০১১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির মায় কতজন ফাঁসির আসামি মা পেয়েছেন’- ফজলুল আজিমের এ লিখিত প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাল এবং সংখ্যা তুলে ধরে জানান, ১৯৮৭ সালে একজন, ২০০৫ সালে দুজন, ২০০৮ সালে একজন, ২০০৯ সালে একজন, ২০১০ সালে ১৮ জন এবং ২০১১ সালে দু’জন রাষ্ট্রপতির মায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে মাপ্রাপ্ত হন।

উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের আমলে যেসব ফাঁসির আসামি রাষ্ট্রপতির অনুগ্রহে মা পান, তার মধ্যে লক্ষ্মীপুরের বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের ছেলে এইচ এম বিপ্লব অন্যতম। বহুল আলোচিত এডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিপ্লব গত বছরের ৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির অনুগ্রহে মাপ্রাপ্ত হন।’

বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের দিয়ে ভরে ফেলা হয়েছে কারগারগুলো। প্রধান বিরোধীদল বিএনপি’র মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দেশের প্রধান ইসলামীপন্থী দল জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ দলের শীর্ষ ১০ নেতাকে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় বছরের পর বছর  কারাগারে বন্দী রেখেছে সরকার। কালের কণ্ঠের ১৫ নভেম্বর ২০১২ সংখ্যা সূত্রে জানা যায়, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল লতিফের প্রশ্নের পরিপ্রেেিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেয়া জবাবে দেখা গেছে, দেশের কারাগারগুলোতে ধারণমতার প্রায় দ্বিগুণ বন্দী রয়েছেন। দেশের ৬৮টি কারাগারের মধ্যে দিনাজপুর, পঞ্চগড়, যশোর ও রাঙামাটি ছাড়া সবটাতেই ধারণমতার চেয়ে বেশি বন্দী অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় করাগারে রয়েছেন ধারণমতার প্রায় তিন গুণ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই হাজার ৬৮২ জন ধারণমতার বিপরীতে বন্দী রয়েছেন সাত হাজার ৮৩০ জন। মন্ত্রী জানান, দেশের কারাগারগুলোর মোট ধারণমতা ৩৩ হাজার ৪৩৬ জন, কিন্তু বন্দী রয়েছেন ৬৪ হাজার ২৫৫ জন। বন্দী আসামির মধ্যে পুরুষ ৬২ হাজার ৪১ এবং মহিলা দুই হাজার ২১৪ জন।

ফ্যাসিবাদী সরকারের রোষাণল থেকে নারীরাও নিরাপদ নন। ইসলাম বিদ্বেষী সরকারের পুলিশ এবার ধর্মপ্রাণ ছাত্রীদের গ্রেফতার অভিযানে নামলো। গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানের ২০ শিার্থীসহ ২১ জনকে পুলিশ আটক করেছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার স্ত্রীও রয়েছেন।

বিরোধীদল নির্মূল অভিযান

সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সরকার দেশের সবচেয়ে বড় এ ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটির সকল অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুস সুবহান, মাওলানা  দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, এটিএম আজহারুল ইসলাম, ডা. শফিকুর রহমান,  মিয়া গোলাম পরওয়ার, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলমকে জামিন না দিয়ে ভিত্তিহীন মামলায় কারানির্যাতন করছে। জামায়াতকে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না। মিছিল মিটিং দূরের কথা জামায়াত কর্মীদের বাসার ড্রয়িং রুমে তিন জনের বেশি লোক চা খেতে বসলেও পুলিশ হানা দিয়ে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। গোপন ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করার মিথ্যে অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দিচ্ছে। এ যেন হবু চন্দ্র রাজা ও গবু চন্দ্র মন্ত্রীর শাসন! গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধীদলের গোপন বৈঠকের খবর সংগ্রহ করার ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির অপরাধে সরকারের পতনের ঘটনা কারো অজানা নয়। কিন্তু আওয়ামী গণতান্ত্রিক দেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়, মহানগরী, জেলা উপজেলা অফিসগুলোতে সরকারের নির্দেশে তালা লাগিয়েছে পুলিশ।

বিরোধীদল দমনে সরকার গত ২০০৯, ১০ ও ১১ সালে ১ লাখ ২০ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ২০ হাজার মামলা দায়ের করেছিল। বিএনপির বিরুদ্ধেই দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় ১৯ হাজার মামলা করেছিল। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় লক্ষাধিক নেতাকর্মীকে। সরকার পুলিশকে দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের আসামি করে পঁচিশ হাজারের অধিক মামলা দায়ের করিয়েছে। সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আসামির সংখ্যা হচ্ছে ২৪ হাজার ৮৫২ জন। পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে এসব মামলায়। এসব মামলার মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন থানায় ৩৩৫টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৭টি, খুলনা বিভাগে ১৭৪টি, রাজশাহী বিভাগে ১৪৭টি, সিলেট বিভাগে ৫৮টি, বরিশাল বিভাগে ৫৭টি এবং রংপুর বিভাগে ৯৫টি। ঢাকা বিভাগে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আসামির সংখ্যা হচ্ছে ১ হাজার ৭৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে আসামির সংখ্যা ৫ হাজার ১৯৮ জন, খুলনা বিভাগে আসামির সংখ্যা ৫ হাজার ৮৮০ জন, রাজশাহী বিভাগে আসামির সংখ্যা ৩ হাজার ৩৩৯ জন, সিলেট বিভাগে আসামির সংখ্যা ৭ হাজার ৪৪৫ জন, বরিশাল বিভাগে আসামির সংখ্যা ২৫৮ জন এবং রংপুর বিভাগে আসামির সংখ্যা ৯৮১ জন। পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের অবরোধে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ঢাকাসহ সারাদেশে ৭২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে ৩৮টি। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৮ দলীয় জোটের ২৫ হাজার নেতাকর্মীকে। অবরোধ কর্মসূচিতে ঢাকা দণি সিটি করপোরেশনের একটি গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার অভিযোগে ২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পল্টন থানায় একটি মামলা করা হয়।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার। দেশের প্রতিটি থানায় বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। সম্প্রতি বিরোধী জোট আয়োজিত গণমিছিলে চাঁদপুর, লীপুর ও রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে ৫ জন বিএনপি-জামায়াত কর্মী নিহত হয়। এরপর ১০ হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা দায়ের করে পুলিশ। সিরাজগঞ্জে দায়ের করা একটি মামলায় আসামির সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি। ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর সিরাজগঞ্জে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জনসভা চলাকালে  ট্রেনে কাটা পড়ে ৬ জন নিহত হয়। সে ঘটনায় বিুব্ধ জনতা একটি ট্রেনে হামলা চালিয়েছিল। এতে পুলিশ বাদি হয়ে বিএনপির ৩৮ নেতাসহ ৪ হাজার কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা করে। একইভাবে গত ১০  ফেব্রুয়ারির হরতালকে কেন্দ্র করে পুলিশ গণগ্রেফতার চালায়। তখন শুধু ঢাকায় মামলা হয় ৩ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। গত ৩ বছরে শুধু রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একশ’টির বেশি মামলায় ১ হাজার ৫ শত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মহনগরীর বাইরে রাজশাহী জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার, মামলায় আসামি ২০ হাজারের মতো। সিলেট জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও শতাধিক মামলা করেছে পুলিশ। এই মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। ঢাকা মহানগরীতে মামলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা মহানগরীতে গত ৩ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ১০ হাজার মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

সম্পাদকঃ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com