সংবাদ শিরোনামঃ

সমুদ্রে এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ ** পরবর্তীতে বলবৎ আইন দিয়ে পূর্বে সংঘটিত অপরাধের বিচার করা যায় না ** সরকার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে ** উপদেষ্টারা সরকার ও দলসহ দেশকে ডুবাতে বসলেও হাসিনার বোধোদয় হচ্ছে না ** বাংলাদেশের ১৭শ’ একর জমি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা ** ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ ** ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে...’ ** মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা চলছে লুটপাট ** সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ড করতে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে উপকূলীয় গাছ সাবাড় করার অভিযোগ ** সরকার বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী মতবাদ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে ** চবি সভাপতিসহ ৮ নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে দেশব্যাপী শিবিরের বিক্ষোভ ** দেশ সন্ত্রাস রাজনীতি ** ভারতে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংশিবির **

ঢাকা শুক্রবার ৯ চৈত্র ১৪১৮, ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৩, ২৩ মার্চ ২০১২

সোনার বাংলা ডেক্স : বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের  জাতীয় সংসদে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমেছে। তবে দেশীয় বাজারে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

গত ১৯ মার্চ সোমবার জাতীয় সংসদের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে মনিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিরোধী দলের উপস্থিতিতে স্পিকার আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেটের সভাপতিত্বে চলতি অধিবেশনের ৩২তম কার্যদিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম সামান্য কমলেও তার পুরোপুরি প্রতিফলন বাংলাদেশের বাজারে পড়েনি। এর কারণ হিসেবে মন্ত্রী ডলারের তুলনায় মুদ্রায় অবমূল্যায়ন সূচকের হার বৃদ্ধি ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিকে দায়ী করেছেন। একই বিষয়ে নুরুল ইসলাম বিএসসি’র প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাশের যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অধিকাংশ পণ্যের দাম এখনও অপেক্ষাকৃত কম। তবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান হ্রাস, ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধি, ব্যাংকের তারল্য সঙ্কট ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে ধরা যায়।

এ কে এম মাইদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের জানান, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারত থেকে তুলা, সুতা, চিনি, কাপড়, মোটরসাইকেল, চাল, গম, ডিজেল, ট্রাক্টর, মোটরগাড়ি, ট্রাক, অ্যালুমিনিয়াম, টায়ারসহ মোট ৪৬ হাজার ৫২৩টি পণ্য চালানে ১৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতে পাটজাত দ্রব্য, সুপারি, পাটের ব্যাগ, মাছ, পাট, অ্যামোনিয়া, লাইটিং সেট, ট্রাউজারসহ মোট ১৭ হাজার ৯৫৬টি পণ্য চালানে ১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার পণ্য রফতানি করা হয়েছে। মন্ত্রী আরো জানান, চীন থেকে মোবাইল ফোন সেট, ফার্টিলাইজার, টেলিফোন যন্ত্রপাতি, ফেব্রিক্স, আরএমজি, সুতা, ডিজেল ইঞ্জিন, মেশিনারি, পেঁয়াজ, ফল, আদা, কম্পিউটার যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া পাটজাত দ্রব্য, ওয়েস্ট প্লাস্টিক, স্লাগ, টি-শার্ট, চামড়া, চামড়ার তৈরি পণ্য রফতানি করা হয়। মন্ত্রী জানান, সিঙ্গাপুর থেকে পেট্রোলিয়াম মেশিন ও যন্ত্রপাতি, প্লাস্টিক দ্রব্য, কেমিক্যালস পণ্য আমদানি করা হয়। টি-শার্ট, মোড়ক সামগ্রী, তৈরি পোশাক, ব্যাটারি, আলু রফতানি করা হয়।

একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য ৭৯টি পণ্যকে অপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শতকরা ২৫ ভাগ হারে রেগুলেটরি ডিউটি আরোপের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে। কামাল আহমেদ মজুমদারের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বলে কোনো গোষ্ঠীর অস্তিত্ব নেই।

মো. ফজলুল আজিমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের করমুক্ত বিপণন সুবিধা পাওয়া বিষয়ে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। মো. শাহরিয়ার আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, গত তিন অর্থবছরে ১২ হাজার ৫১৬ কোটি টাকার চিনি আমদানি করা হয়েছে। জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চারদলীয় জোট সরকারে আমলে টিসিবি মাত্র ১৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার পণ্য কিনেছিল। বর্তমান সরকার গত অর্থবছরে ৪শ’ ৪৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার পণ্য কিনেছে। এর ফলে টিসিবির কাজ প্রায় ৩০ গুণ বেড়ে গেছে। নাজমা আকতারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারত থেকে ২ হাজার ৫৩ দশমিক ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। ওই সময়ে ভারতে রফতানি করেছে ২১৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চীন থেকে একই সময়ে আমদানি করা হয়েছে ২ হাজার ৮শ’ ১০ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর রফতানি করা হয়েছে ১শ’ ৪৩ দশমিক ৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নওয়াব আলী আব্বাস খানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে বছরে ৬০ হাজার মে.টনের বেশি চা উৎপাদন হয়। সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ উৎস হতে প্রায় ৭ লাখ মে.টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া সাড়ে চার মে.টন চাল ও ৪ লাখ মে.টন গমসহ মোট সাড়ে  ৮ লাখ মে.টন খাদ্যশস্য বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে।

এ পাতার অন্যান্য খবর

অন্যান্য মিডিয়া bdnews24 RTNN Sheersha News barta24 Prothom Alo Daily Nayadiganta Jugantor Samakal Amardesh Kaler Kantho Daily Ittefaq Daily Inqilab Daily Sangram Daily Janakantha Amader Shomoy Bangladesh Pratidin Bhorerkagoj Daily Dinkal Manob Zamin Destiny Sangbad Deshbangla Daily Star New Age New Nation Bangladesh Today Financial Express Independent News Today Shaptahik 2000 Computer Jagat Computer Barta Budhbar Bangladesherkhela Holiday Bangladesh Monitor BBC Bangla Redio Tehran
homeabout usdeveloped by

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মো. তাসনীম আলম।

মহীউদ্দীন আহমদ কর্তৃক জাতীয় মুদ্রণ ১০৯, ঋষিকেশ দাস রোড, ঢাকা - ১১০০ হতে মুদ্রিত ও ১৫ বাংলাবাজার, ঢাকা - ১১০০ হতে প্রকাশিত। যোগাযোগের ঠিকানাঃ ৪২৩ এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা - ১২১৭। ফোনঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৯০৬৫, বার্তা - ৮৮ ০১৬৭০৮১৩২৭৬, সার্কুলেশন - ৮৮ ০১৫৫২৩৯৮১৯০, বিজ্ঞাপন - ৮৮ ০১১৯৯০৯০০৮৫, ফ্যাক্সঃ ৮৮ ০২ ৮৩১৫৫৭১, ওয়েবসাইটঃ www.weeklysonarbangla.net, ইমেইলঃ weeklysonarbangla@yahoo.com